, , ,
শিরোনামঃ
রুপগঞ্জে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উদযাপনে এমপি দিপু ভূইয়ার নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য বিজয় র‌্যালি  বন্দরে মাদকসেবী ডালিম হত্যার ঘটনায় ঘাতক হাবিব গ্রেপ্তার  আড়াইহাজারে নারীকে ব্যবহার করে ‘হানি ট্র্যাপ’ অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায়, গ্রেপ্তার ৩ জন সোনারগাঁয়ে অটোরিকশা চালকের রহস্যজনক মৃত্যু, পরিবারের দাবি, স্ত্রী ও শশুর বাড়ির সদস্য বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ সাহিত্য জোট নারায়ণগঞ্জের কবিতা পাঠ ও সাহিত্য আলোচনায় মুখরিত অনুষ্ঠান বাঁশখালীতে বন্যায় ঘর হারানো ১০০ পরিবারকে ঘর তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী:ডিসি জাহিদুল বন্দরে গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে অগ্নিকান্ডের একই পরিবারের শিশুসহ তিনজন দগ্ধ  আমের ক্যারেটের আড়ালে ফেনসিডিল পাচার, রূপগঞ্জে ৩৭৭ বোতল উদ্ধার সিদ্ধিরগঞ্জে সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় ছাত্রলীগ-তাতীলীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার ফতুল্লায় ১০ প্যাকেট হেরোইনসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

আড়াইহাজারে নারীকে ব্যবহার করে ‘হানি ট্র্যাপ’ অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায়, গ্রেপ্তার ৩ জন

নিউজ ২৪ নারায়ণগঞ্জঃ 

আড়াইহাজারে নারীকে ব্যবহার করে ‘হানি ট্র্যাপ’-এর মাধ্যমে লোকজনকে অপহরণ, মারধর এবং বিকাশ-নগদের মাধ্যমে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন শীলমান্দি গ্রামের মো. শ্যামল ভূঁইয়া, সুমন ও ইউসুফ। তাঁদের আদালতে পাঠিয়ে জেলহাজতে রাখার আবেদন করেছে তদন্তকারী কর্মকর্তা। একই সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পৃথক রিমান্ড আবেদনও করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে আড়াইহাজার উপজেলার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের শীলমান্দি গ্রামে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার এজাহার ও আদালতে পাঠানো প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৭ জুলাই বাগেরহাটের ফকিরহাট থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার পর এক ব্যবসায়ী নিখোঁজ হন। পরে তিনি নিজেকে আড়াইহাজারের শীলমান্দি গ্রামের একটি প্রাচীরঘেরা টিনশেড ঘরে আটক অবস্থায় দেখতে পান। সেখানে তাঁকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা, মারধর এবং পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, অপহরণকারীরা ভুক্তভোগীকে দিয়ে তাঁর পরিবারের সদস্যদের কাছে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে মোট ৭০ হাজার টাকা আদায় করে। এ ছাড়া তাঁর কাছে থাকা নগদ ২৭ হাজার টাকা, দুটি মোবাইল ফোন, ব্যাংকের ডেবিট কার্ড, এক লাখ টাকার স্বাক্ষর করা চেক, একটি স্বর্ণের আংটি ও একটি হাতঘড়ি ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরে তাঁকে নির্জন স্থানে ফেলে রেখে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়।

পুলিশের ভাষ্য, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা মামলার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। সেসব তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত তথ্য আপাতত প্রকাশ করা হচ্ছে না।

তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই বজলুর রহমান আদালতে দেওয়া আবেদনে উল্লেখ করেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরাসহ একটি সংঘবদ্ধ চক্র নারীকে ব্যবহার করে ‘হানি ট্র্যাপ’-এর ফাঁদে ফেলে লোকজনকে নির্জন স্থানে নিয়ে অপহরণ করত। পরে মারধর ও ভয়ভীতি দেখিয়ে বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে মুক্তিপণ আদায় করত। তদন্তের স্বার্থে তাঁদের জেলহাজতে রাখা প্রয়োজন। কারণ জামিনে মুক্তি পেলে তাঁরা পলাতক হতে পারেন এবং তদন্তে বিঘ্ন ঘটাতে পারেন।

এ ঘটনায় আড়াইহাজার থানায় দণ্ডবিধির অপহরণ, হত্যাচেষ্টা, আঘাত ও চাঁদাবাজিসহ একাধিক ধারায় মামলা হয়েছে।

আড়াইহাজার থানার ওসি (তদন্ত) রিপন কুমার বলেন, “এটি একটি সংঘবদ্ধ চক্র। তারা নারীকে ব্যবহার করে ‘হানি ট্র্যাপ’-এর মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকার মানুষকে ফাঁদে ফেলে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করত। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। তদন্তের স্বার্থে কিছু তথ্য এখনই প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না।”

খবরটি সবার সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর...।