, , ,
শিরোনামঃ
কেউ চান মাথা গোঁজার ঠাঁই, কেউ চিকিৎসার টাকা—গণশুনানিতে পাশে দাঁড়ালেন মানবিক ডিসি জাহিদ যশোর আবাসিক হোটেলে অভিযান, দুই নারীসহ ১০ জন আটক চাকুরিচ্যুতি থেকে কারাবরণ, তবুও মচকাননি ডা. মজিবুর রহমান যথাযোগ্য মর্যাদায় নারায়ণগঞ্জে আর্ন্তজাতিক যুব দিবস পালিত কারাভোগ শেষে বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরল তিন তরুণী সিদ্ধিরগঞ্জে হিযবুত তাওহীদের কার্যক্রম বন্ধের দাবিতে ইমাম-ওলামা ঐক্য পরিষদের সেমিনার শব্দদূষণবিরোধী অভিযান চালিয়ে তিনটি যানবাহনকে জরিমানা  নারায়ণগঞ্জে বেশিরভাগ এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকট, ভোগান্তি  আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক সহ মাদক-কিশোর গ্যাং নির্মূলে সফলতায় সর্ব মহলে প্রশংসিত এসপি মিজানুর রহমান মুন্সী আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা সহ ঘুষমুক্ত ভূমি সেবায় নজির স্থাপনে সর্বমহলে প্রশংসিত ডিসি মো: রায়হান কবির

শান্তা ফারজানাসহ ৬ জনের জামিন নামঞ্জুর, নিঃশর্ত মুক্তির দাবি নেতাকর্মীদের

নিউজ ২৪ নারায়ণগঞ্জ 

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : রাজধানীর শাহবাগ থানার সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার নতুন ধারা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানাসহ ৬ জনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

সোমবার (১০ আগস্ট) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইনের আদালত এই আদেশ দেন।

অন্যান্য আসামিরা হলেন— দলের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. নুরজাহান নীরা, যুগ্ম মহাসচিব মনিরুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক আফতাব মণ্ডল ও হরী সরকার।

সোমবার তাদের পক্ষে আইনজীবী জাহাঙ্গীর আলমসহ অনেকেই জামিন চেয়ে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে এর বিরোধিতা করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন আবেদন না-মঞ্জুর করে দেন।

শুনানিতে জাহাঙ্গীর আলম বলেন- নতুন ধারা বাংলাদেশের মানবাধিকার, গণতন্ত্র নিয়ে কাজ করে। এটা কোনো রাজনৈতিক সংগঠন না। তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত না। তাদের জন্য জামিনের প্রার্থনা করছি।

এর আগে, গত ৪ আগস্ট রাতে বাবুল সরদার নামে এক ব্যক্তির করা এক মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরদিন তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা আওয়ামী লীগের দোসর ও বর্তমান সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রকারী। তাদের সংগঠনের নাম নতুন ধারা বাংলাদেশ। আসামি শান্তা ফারজানা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভেতরে প্রবেশ করে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ‘অবৈধ প্রধানমন্ত্রী’ এবং জুলাই আন্দোলনকে ‘জঙ্গি আন্দোলন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। এ ছাড়া, শান্তা ফারজানা ও মোমেন মেহেদী অতীতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে আওয়ামী লীগের পক্ষে বক্তব্য দিয়ে শেখ হাসিনাকে বৈধ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উপস্থাপন করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও বলা হয়, জুলাই-পরবর্তী নবগঠিত বিএনপি সরকারকে উৎখাতের উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমন্বয় করে টেলিগ্রামসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। গত ৪ আগস্ট সন্ধ্যা ৭টার দিকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে শান্তা ফারজানাসহ বাকি আসামি এবং অজ্ঞাত পরিচয় ৫০ থেকে ৬০ জন উসকানিমূলক স্লোগান দেন ও মিছিল করেন।

এ সময় বাদী এসডিএফের সদস্য সচিব আল নুর মোহাম্মদ আয়াস এবং জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্যরা এর প্রতিবাদ করলে শান্তা ফারজানার নেতৃত্বে আসামিরা দেশীয় অস্ত্র, লাঠিসোঁটা, এসএস পাইপ, চেয়ার ও হকি স্টিক নিয়ে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে জুলাই যোদ্ধা মহসিন, আশরাফুল ও তাওহিদ রক্তাক্ত জখম হন। এ ছাড়া, বাদী ও আল নুর মোহাম্মদ আয়াসকে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতাড়িভাবে মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। ওই ঘটনায় বাবুল সরদার বাদী হয়ে শাহবাগ থানার মামলাটি দায়ের করেন। এজাহারে ছয়জনের নাম উল্লেখের পাশাপাশি অজ্ঞাত পরিচয় আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

তবে দলের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে – এর আগে শিবির কর্মী আয়াশ শান্তা ফারজানা ও মোমিন মেহেদীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে গিয়ে তাকে চড় মারার পর তারই প্রতিবাদে ৪ আগস্ট সন্ধ্যা ৭টার দিকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে একটি শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করেন। সেখানে তারা জামায়াত শিবির বিরোধী বক্তব্য দেওয়াকালে হঠাৎ শিবির কর্মী আয়াশ তাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। একইসাথে সাংবাদিকদের উপর হামলা চালানোর কারণে উপস্থিত সাংবাদিকরাসহ শান্তা ফারজানা ও তার দলের নেতাকর্মীরা আয়াশের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং সেই সময়ে স্থানীয় জনতা আয়াশকে ধরে গণপিটুনি দেয়। যা পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজে দুই পক্ষ চিকিৎসা নিতে যাওয়ার পর বিষয়টি আরও বেশি সমস্যা সৃষ্টি করে এবং তখন আয়াশের ডাকে জুলাই যোদ্ধা নামের যে সকল জঙ্গী বাহিনী আছে, তারা শান্তা ফারজানা ও উপস্থিত আহত নেতাকর্মীদের উপর দফায় দফায় ঝাঁপিয়ে পড়ে তাদেরকে আহত করে। সেই সময় পুলিশ বাধ্য হয়ে নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের ৬ জনকে শাহবাগ থানায় নিয়ে যান।

পরবর্তীতে ভোর রাতে তাদের সন্ত্রাস বিরোধী আইনে করা একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

নেতাকর্মীদের দাবি- শান্তা ফারজানা ও মোমিন মেহেদিসহ বাংলাদেশ কি বলে এটা, নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির নেতাকর্মীরা কখনোই আয়াশের উপরে আগে হামলা করেনি। আয়াশ প্রথমে আমাদের নেত্রীকে চড় মেরেছে নেত্রীর কার্যালয়ে এসে। এবং পরবর্তীতে আয়াশই আমাদের নতুনধারার শান্তিপূর্ণ সমাবেশের উপর এসে হামলা করে এবং আয়াশ ও তার জঙ্গি বাহিনী অর্থাৎ দলবল নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতেও আমাদের নেত্রী এবং অন্যান্য নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালায়। অথচ আজকে যে হামলা করল সেই হয়ে গেল বেচারি, আর যারা হামলার শিকার হল তারাই হয়ে গেল আসামি। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। আমরা বিশ্বাস করি অতি শীঘ্রই ৭১ এর পক্ষে গর্জে উঠা কণ্ঠস্বর শান্তা ফারজানাসহ আমাদের সকল নেতাকর্মীরা নিঃশর্ত মুক্তি পাবেন।

খবরটি সবার সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর...।