, , ,
শিরোনামঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে শ্রমিক আন্দোলনে সতর্ক থাকার আহ্বান নাসিক ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি মো: মিয়া চাঁনের রূপগঞ্জে পোশাক কারখানায় ডায়ার কম্প্রেসার বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৪ দুই বলয়ের রাজনীতিতে দুই দিকেই বিথী! আইনজীবী ফোরামে প্রশ্ন—বিথী তুমি কার? রাসেল হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু, শামীম ওসমানসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র সিদ্ধিরগঞ্জে ৩৩ লাখ টাকার চোরাই জেট ফুয়েলসহ ট্যাংকার জব্দ, আওয়ামী লীগ নেতা ইয়ারসহ মূল অভিযুক্তরা অধরা বিস্কুটের প্যাকেটে ৪.২ কেজি গাঁজা, সোনারগাঁয়ে নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে নারায়ণগঞ্জে শ্রমিকদের সাড়ে ৫ ঘণ্টার অবরোধ, ভোগান্তিতে নগরবাসী গোদনাইলে হলি উইলস স্কুলে ব্যতিক্রমী চকলেট উৎসব, এক মুষ্টিতে সর্বোচ্চ ৪২টি! শ্রমিক আন্দোলনে হামলা-ভাঙচুরকারীদের শনাক্তে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা চলছে: এমপি আজাদ নারায়ণগঞ্জে ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, লিংক রোডে তীব্র যানজট

রাসেল হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু, শামীম ওসমানসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

নিউজ ২৪ নারায়ণগঞ্জ

নারায়ণগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ১৭ বছর বয়সী পোশাকশ্রমিক মো. রাসেলকে গুলি করে হত্যার মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। সোমবার (২ নভেম্বর) নারায়ণগঞ্জের জ্যেষ্ঠ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলার বাদীসহ দুজন সাক্ষ্য দিয়েছেন। এ সময় তাঁদের জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।

আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ জাকির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বিচারক আবু শামীম আজাদের আদালতে নিহত রাসেলের বাবা ও মামলার বাদী পিন্টু রহমান এবং ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী দেওভোগ সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুজন মাহমুদ সাক্ষ্য দেন। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাঁদের জেরা করেন।

পিপি আরও বলেন, সাক্ষীদের বক্তব্যে রাসেল হত্যার ঘটনায় সাবেক সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমান ও তাঁর অনুসারীদের সম্পৃক্ততার বিষয় উঠে এসেছে। মামলার রায়ে ছেলের হত্যার বিচার চেয়ে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছেন রাসেলের বাবা।

মামলাটিতে গত বছরের আগস্টে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমানসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক মাহবুবুর রহমান।

অভিযোগপত্রে শামীম ওসমানের ছেলে ইমতিনান ওসমান অয়ন, ভাতিজা আজমেরী ওসমান, শ্যালক তানভীর আহমেদ টিটু, বেয়াই ফয়েজউদ্দিন লাভলু, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খোকন সাহা এবং যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজামের নামও রয়েছে।

সাক্ষ্যগ্রহণের দিন মামলার সাতজন অভিযুক্ত আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তবে শামীম ওসমানসহ অন্য অভিযুক্তদের কয়েকজন পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী সাইদুর রহমান দাবি করেন, আদালতে দেওয়া সাক্ষ্যে এজাহারনামীয় আসামিদের সঙ্গে রাসেল হত্যার সরাসরি সম্পৃক্ততার বিষয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, জেরার সময় মামলার বাদী জানিয়েছেন, পুলিশের লেখা এজাহারে তিনি শুধু স্বাক্ষর করেছিলেন।

আদালত আগামী ১৪ ডিসেম্বর মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নিয়ে গুলিবিদ্ধ হন ১৭ বছর বয়সী মো. রাসেল। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হলে তিন দিন পর, ২২ জুলাই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

নিহত রাসেলের গ্রামের বাড়ি নওগাঁর মান্দা উপজেলার ভোলাগাড়ি গ্রামে। জীবিকার তাগিদে তিনি নারায়ণগঞ্জ শহরের একটি হোসিয়ারি কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। ছেলের মৃত্যুর ঘটনায় ওই বছরের ২৭ আগস্ট নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন তাঁর বাবা পিন্টু রহমান।

খবরটি সবার সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর...।