, , ,
শিরোনামঃ
পিপিএম-সেবা পদকে ভূষিত নারায়ণগঞ্জের এসপি হাবিবুর রহমান বন্দরে প্রকাশ্যে স্বর্ণের দোকানে ডাকাতি: এক যুবক গ্রেপ্তার, ১৮ ইঞ্চি চাকু উদ্ধার সিদ্ধিরগঞ্জে মৃত শ্রমিক নেতাকর্মীদের স্মরণে দোয়া মাহফিল, আর্থিক সহায়তা প্রদান রাজপথে বিএনপির উপস্থিতি আতঙ্কের নয়, জনগণের নিরাপত্তার জন্য: মাসুকুল ইসলাম রাজীব মাদক-সন্ত্রাস নির্মূলে যে-ই হোক, কোনো ছাড় নেই: এড. সাখাওয়াত ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে সরকারের সহযোগিতার আশ্বাস মামুন মাহমুদের নাশকতা ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে এনডিএ চেয়ারম্যান রাজীবের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল ফতুল্লায় মাদ্রাসার ছাদে বিদ্যুতের তারে দগ্ধ ৫ ছাত্রী, চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক রূপগঞ্জে ৮ শতাধিক কৃতি শিক্ষার্থী পেল মেধা বৃত্তি ও সম্মাননা আল হেলাল কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারের ব্যাচ-৯৩-এর বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

বরিশালের যমজ দুই বোনের সঙ্গে বিয়ে হলো পিরোজপুরের যমজ দুই ভাইয়ের সাথে

নিউজ ২৪ নারায়ণগঞ্জঃ

বরিশালের যমজ দুই বোনের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন পিরোজপুরের যমজ দুই ভাই।

এই বিয়ে দেখতে সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাতে অনুষ্ঠানে ভিড় জমায় বরিশালের বিভিন্ন এলাকার মানুষ। যমজ বোনের সঙ্গে যমজ ভাইয়ের বিয়ের খবর শুনেই ছুটে এসেছেন তারা। এছাড়াও মেয়ে বাড়ি এলাকার লোকজনও বেশ আনন্দ উৎসবের মধ্য দিয়েই বিয়ে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে।

সোমবার রাত ১১টায় নগরীর নাজির মহল্লা এলাকায় এই বিয়ে অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। রাত ৯টায় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা শুরু হয় রাত ১১টায়।

জানা গেছে, বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী ও নগরীর নাজির মহল্লা এলাকার বাসিন্দা স্বপন কর্মকারের দুই মেয়ে সোনালী কর্মকার সোনা ও রূপালী কর্মকার রূপা। এরা দুজনই যমজ। এর মধ্যে আবার সোনালী বড় এবং ছোট রূপালী। অপরদিকে পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি থানা এলাকার ইন্দেরহাটের স্বর্ণের পৃথক দোকানী এবং স্বর্ণকার ও স্বর্গীয় নিখিল লাল কর্মকারের ছেলে সজল কর্মকার এবং কাজল কর্মকার। এরাও যমজ হলেও এদের মধ্যে সজল বড় ও কাজল ছোট সময়ের সামান্য ব্যবধানে। মাস কয়েক আগে সম্বন্ধ দেখাদেখির মাধ্যমে পাকাপাকি হয় সোনা-রূপা আর সজল-কাজলের বিয়ে। আর সোমবার রাতে ছিল বিয়ের দিনক্ষণ। যা সুষ্ঠুভাবে এবং নানা আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমেই শেষ হয়েছে।

যমজ বোনের সঙ্গে যমজ ভাইয়ের বিয়ে এমন খবর শুনে নগরীর ভাটিখানা থেকে বিয়ে অনুষ্ঠান দেখতে যাওয়া রতন ঢালী জানান, দাওয়াত নেই তবুও উৎসুক হয়ে এসেছি বিয়েটি দেখতে। ভালোই লাগছে। আলাদাভাবে দুই বোন এবং দুই ভাইয়ের বিয়ে হচ্ছে তাও একই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে।

রাজীব কর্মকার নামে মেয়ে পক্ষের এক স্বজন জানান, যমজের সাথে যমজের বিয়ে বিষয়টা খুবই আনকমন। তাই এই আনকমন বিয়েতে অংশগ্রহণ করতে আত্মীয় হিসেবে আমিও ছুটে এসেছি।

উজ্জল দাস নামে ওই এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, অনেক লোক এসেছে বিয়ে দেখতে। কেউ দাওয়াত পেয়ে আবার কেউ দাওয়াত না পেয়ে। তবে খুব ভালোই লাগছে। এরকম বিয়ে তো সচরাচর দেখা যায় না।
এদিকে এই দুই নবদম্পতি যাতে সুখী হয় সেই জন্য দোয়া ও প্রার্থনার কথা জানিয়েছেন তাদেরই স্বজনরা।

খবরটি সবার সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর...।