, , ,
শিরোনামঃ
বন্দরে পাওনা ২২ লাখ টাকা চাওয়ায় হামলা, প্রাণ গেল ৭২ বছরের বৃদ্ধার ফতুল্লায় ‘কোবরা গ্রুপ’ প্রধান সোহেল খন্দকার গ্রেপ্তার, উদ্ধার বিদেশি রিভলভার-হেরোইন রূপগঞ্জে অটোরিকশা ছিনতাইয়ে চালককে ছুরিকাঘাতে হত্যা, গ্রেপ্তার ২ রূপগঞ্জে দুর্গাপূজায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে: এমপি দিপু সোনারগাঁয়ে ৬ মাসে ১৬ বছরের দ্বিগুণ উন্নয়ন কাজ পাস করিয়েছি: এমপি মান্নান বন্দরে রেলের উচ্ছেদ অভিযান, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৪০০ দোকানপাট ও স্থাপনা ফতুল্লায় ঝুটের গোডাউনে ভয়াবহ আগুন, পুড়েছে ৩০ গোডাউন নারায়ণগঞ্জে দুর্গাপূজায় চার স্তরের নিরাপত্তা, ২৪০ মণ্ডপে থাকবে পুলিশ-আনসার নারায়ণগঞ্জ সদর ইউএনও গোল্ডকাপ ২০২৬: ৮ দলের অংশগ্রহণে থাকছে ১০টি খেলার ইভেন্ট মেধা ও যোগ্যতাকে দেশের কল্যাণে কাজে লাগাতে হবে: সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিন

বন্দরে রেলের উচ্ছেদ অভিযান, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৪০০ দোকানপাট ও স্থাপনা

নিউজ ২৪ নারায়ণগঞ্জ

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি উদ্ধার ও অবৈধ দখলমুক্ত করতে দিনব্যাপী উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। এ অভিযানে প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ দোকানপাট, ঘরবাড়ি ও বিভিন্ন স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে নবীগঞ্জের ‘এসান চেয়ারম্যান মার্কেট’সহ বেশ কয়েকটি মার্কেট রয়েছে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বন্দর উপজেলার নবীগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড ও আশপাশের এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ঢাকা বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. এরশাদ উদ্দিনের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত ছিলেন বন্দর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সাদরুল আলম। এ সময় যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে বাংলাদেশ রেলওয়ে পুলিশ, জেলা পুলিশ ও বন্দর থানা-পুলিশের একটি বড় দল আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করে।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে রেলওয়ের জমি দখল করে এসব দোকানপাট, ঘরবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছিল। অভিযানের অংশ হিসেবে এক্সকাভেটর (বেকু) দিয়ে অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করা হয়।

অভিযানে ক্ষতিগ্রস্ত এক দোকানি নাম প্রকাশ না করার শর্তে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “নোটিশ দেওয়া রেলওয়ের নিয়মিত প্রক্রিয়া হলেও এভাবে হঠাৎ এসে সবকিছু গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে, তা ভাবিনি। এতে আমাদের অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়ে গেল।”

ঢাকা বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. এরশাদ উদ্দিন বলেন, রেলওয়ের জমিতে কোনো অবৈধ দখলদারকে ছাড় দেওয়া হবে না। সরকারি জমি উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে।

তিনি আরও জানান, কয়েকজন দোকানদারকে নিজ দায়িত্বে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার জন্য ২৪ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিজ খরচে স্থাপনা সরিয়ে না নিলে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে জেল-জরিমানারও মুখোমুখি হতে পারেন তাঁরা।

খবরটি সবার সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর...।