, , ,
শিরোনামঃ
জনদুর্ভোগের জন্য নারায়ণগঞ্জবাসীর কাছে রাজীবের পক্ষ থেকে নাসিক ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি মোঃ মিয়া চাঁনের ক্ষমা প্রার্থনা জেল-জুলুম সহ্য করেও বিএনপি নেতাকর্মীরা দেশ ছাড়েননি’—নজরুল ইসলাম আজাদ দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে না থাকার অভিযোগ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে: আবুল কালাম সাত মাসে নারায়ণগঞ্জকে ‘সন্ত্রাসের জনপদ’ থেকে বসবাসযোগ্য নগরীতে রূপান্তরের দাবি সাখাওয়াতের বন্দরে অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে অভিযান, বিচ্ছিন্ন প্রায় ৮০০ সংযোগ মাদক-সন্ত্রাস ও অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদারে নারায়ণগঞ্জবাসীর সহযোগিতা চান এসপি চাষাঢ়ায় নারীর শরীর থেকে ৪০ প্যাকেটে ২ হাজার ইয়াবা উদ্ধারের দাবি, গ্রেপ্তার ৩ সদর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার কার্যক্রমে গুরুত্বারোপ ডিসি রায়হানের বন্দরে মাটির নিচে মিলল ১৬ দেশীয় অস্ত্র, ‘ব্ল্যাক জনি’সহ গ্রেপ্তার ২ বন্দরে দিনদুপুরে স্বর্ণের দোকানে ডাকাতি: ২৪ ঘণ্টায় ৫ জন গ্রেপ্তার; লুট হওয়া মালামাল ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার

বন্দরে মাটির নিচে মিলল ১৬ দেশীয় অস্ত্র, ‘ব্ল্যাক জনি’সহ গ্রেপ্তার ২

নিউজ ২৪ নারায়ণগঞ্জ

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে মতিউর রহমান জনি ওরফে ‘ব্ল্যাক জনি’ (৩৯) ও তার সহযোগী রিফাত হাসান (২৬)কে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। পরে গ্রেপ্তার দুজনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি হাঁসের খামারের পাশে মাটির নিচে পুঁতে রাখা অবস্থায় দেশীয় তৈরি ১৬টি অস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ১১টার দিকে বন্দর থানার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের ঘাড়মোড়া কাজিবাড়ি এলাকায় অভিযানটি পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মতিউর রহমান জনি ও রিফাত হাসানকে আটক করে ডিবি পুলিশের একটি দল।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলের একটি হাঁসের খামারের দক্ষিণ পাশে মাটি খুঁড়ে একটি প্লাস্টিকের বস্তা উদ্ধার করা হয়। বস্তাটি খুলে পাঁচটি লোহার রামদা, এসএস বাটযুক্ত দুটি রামদা, লোহার বাটযুক্ত দুটি রামদা, দুটি ছোরা, দুটি দা এবং তিনটি জিআই পাইপ পাওয়া যায়।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) প্রেস ব্রিফিংয়ে নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান জানান, মতিউর রহমান জনি ওরফে ‘ব্ল্যাক জনি’ বন্দর থানা এলাকার পরিচিত অপরাধী। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি মাদক ব্যবসা, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং কিশোর গ্যাংয়ের নেতৃত্বের সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুজন দীর্ঘদিন ধরে পরস্পরের যোগসাজশে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক ব্যবসা ও বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে এসব অস্ত্র নিজেদের হেফাজতে রাখার কথা স্বীকার করেছেন।

এ ঘটনায় অস্ত্র আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে বন্দর থানায় মামলা করা হয়েছে।

পুলিশের তথ্যমতে, মতিউর রহমান জনি ওরফে ‘ব্ল্যাক জনি’র বিরুদ্ধে বন্দর ও সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি, অস্ত্র আইনে একটি এবং দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় পাঁচটিসহ মোট সাতটি মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

খবরটি সবার সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর...।