নিউজ ২৪ নারায়ণগঞ্জঃ
ফতুল্লার একটি বহুতল ভবনের ফ্ল্যাটে জমা গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ সাত বছরের শিশু মুন্না মারা যাওয়ার ৩ ঘণ্টা পরেই তার বোন মুন্নিও (১০) মারা গেছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। শরীরের ৩৫ শতাংশ পুড়ে যাওয়া শিশুটি রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ছিল।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে শিশুটি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে বলে জানান এ হাসপাতালের আবাসিক সার্জন সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান। শ্বাসনালী পুড়ে শিশুটি মারা যায় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
এর কয়েক ঘণ্টা আগে একই দিন সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) মারা যায় মুন্নির ছোট ভাই মুন্না (৭)। তার শরীরের ৪০ শতাংশ দগ্ধ ছিল।
তারও আগে বুধবার সন্ধ্যা পৌনে সাতটায় একই হাসপাতালে মারা যায় তাদের বোন কথা। সাত বছর বয়সী এ শিশুটিরও শ্বাসনালীসহ শরীরের ৫২ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।
তাদের বাবা মো. কালাম (৩৫) মারা যান গত সোমবার সকালে। তার শরীরের ৯৫ শতাংশই পুড়ে গিয়েছিল।
গত ১০ মে সকালে ফতুল্লার গিরিধারা এলাকার একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে এই ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে তিন শিশু সন্তানসহ এক দম্পতি দগ্ধ হন। ফায়ার সার্ভিসের ধারণা, ওই কক্ষের তিতাস গ্যাসের লাইনের লিকেজ থেকে গ্যাস জমা হয়ে এই বিস্ফোরণ ঘটেছে।
বর্তমানে এই ঘটনায় দগ্ধ কালামের স্ত্রী সায়মা (৩২) আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার শরীরের ৬০ শতাংশ পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। পরিবারের পাঁচ সদস্যের মধ্যে কেবল মা-ই এখন হাসপাতালে বেঁচে আছেন।
Leave a Reply