, , ,
শিরোনামঃ
সিদ্ধিরগঞ্জে ডিবি পরিচয়ে কম্বলবোঝাই ক্যাভার্ড ভ্যান ডাকাতির ঘটনায় ৫ জন গ্রেপ্তার  মানুষের আস্থার জায়গাটিকে মর্যাদা দেওয়া জেলা প্রশাসনের সকলের দায়িত্ব’ : ডিসি মো: রায়হান কবির ঝড়-বৃষ্টি, কাদা ও প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে মানুষের পাশে এসে দাঁড়ালেন মানবিক ডিসি জাহিদুল ইসলাম কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের গভর্নিং বডির সদস্য হলেন এমপি আবুল কালাম  সোনারগাঁয়ে ২৬৩ কেজি পলিথিন জব্দ ; দুই প্রতিষ্ঠানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা  বন্দরে অটোরিকশা চালক হত্যার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার  নিজের পকেটের টাকা দিয়ে অচেতন উদ্ধার হওয়া মিলিকে মায়ের কোলে ফেরালেন আনসার কমান্ডার আবুল কালাম বেনাপোল ও শার্শা উন্নয়নে মতবিনিময় সভা এমপি সাবিরা নাজমুল তৃণমূলের উন্নয়নই সরকারের অগ্রাধিকার’ :ডিসি মো: রায়হান কবির দেশের অর্থনৈতিক সঙ্কট উদ্বেগজনক : বিকল্পধারা বাংলাদেশ

মানুষের আস্থার জায়গাটিকে মর্যাদা দেওয়া জেলা প্রশাসনের সকলের দায়িত্ব’ : ডিসি মো: রায়হান কবির

নিউজ ২৪ নারায়ণগঞ্জঃ

নাগরিক সেবার মান ও গতি বৃদ্ধি এবং সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি কমাতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন। প্রতি বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সরাসরি সাধারণ মানুষের অভিযোগ শুনছেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. রায়হান কবির।

বুধবার [৮ জুলাই] জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির।

গণশুনানিতে জেলা প্রশাসক বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে বেশ কিছু সেবাগ্রহীতার সাথে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে সরাসরি কথা বলেছি। তাদের সমস্যাগুলো শুনেছি এবং অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি। যদিও আমাদের অভিযোগ গ্রহণ ও সমাধানের স্বাভাবিক কার্যক্রম সপ্তাহজুড়েই চলমান থাকে, তবুও আমি এই নির্দিষ্ট দুই ঘণ্টা সময় কেবল সাধারণ মানুষের কথা শোনার জন্যই আলাদা করে রেখেছি।”

তিনি আরও বলেন, “জেলা প্রশাসনের দরজা জনগণের জন্য সব সময়ই খোলা।”

গণশুনানিতে কোথাও তাড়াহুড়া ছিল না, ছিল না কোনো বিরক্তি।প্রতিটি অভিযোগ কারীর কথা মনোযোগ সহকারে শুনেন, প্রতিটি আবেদনকারীর পারিবারিক অবস্থা, রোগব্যাধি, আর্থিক সংকট ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান জেলা প্রশাসক। পরে মানবিক বিবেচনায় তাদের তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন।

ডিসি রায়হান কবির বলেন, “একটি আবেদনপত্রের পেছনে থাকে একটি পরিবারের বেদনা। কেউ সরকারি সেবা না পেয়ে অভিযোগ করতে আসে, কেউ চিকিৎসার জন্য আসে, কেউ সন্তানের পড়াশোনা বাঁচাতে আসে, কেউ শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে সাহায্য চায়। বিভিন্ন ভুক্তভোগী পরিবার এখানে আসে তাদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য। মানুষের এই আস্থার জায়গাটিকে মর্যাদা দেওয়া জেলা প্রশাসনের সকলের দায়িত্ব।”

তিনি আরও বলেন, “সরকারি নীতিমালার আলোকে প্রকৃত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। মানুষের কষ্ট মন দিয়ে শোনা এবং সম্ভব হলে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা — এটিও জনসেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।”

জেলা প্রশাসকের কক্ষে শুধু আবেদনপত্র জমা পড়েনি — জমা পড়েছিল মানুষের শেষ ভরসা। আর সেই ভরসার বাস্তবায়নে হাত বাড়িয়ে দেন জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির।

এ সময় জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা, ভুক্তভোগী পরিবার ও সেবা গ্রহীতারা উপস্থিত ছিলেন।

খবরটি সবার সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর...।