মো: মিঠুন মিয়া স্টাফ রিপোর্টার :
সোনারগাঁয়ের বারদী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় সমর্থন পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী রাজনৈতিক কর্মী সেলিম হোসেন দিপু। দলের কঠিন সময়ে রাজপথে সক্রিয় থেকে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখার দাবি তুলে তিনি এবার দলীয় মূল্যায়নের প্রত্যাশা করছেন। তাঁর বিশ্বাস, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, ত্যাগ ও অবদান বিবেচনায় নিয়ে দল তাঁকে চেয়ারম্যান পদে সমর্থন দেবে।
শুধু নির্বাচনী প্রত্যাশা নয়, স্থানীয় মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং তাঁদের সুখ-দুঃখের কথা শোনাকেও নিজের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে তুলে ধরছেন সেলিম হোসেন দিপু। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার বারদী ইউনিয়নের নাকুরিয়াহাটি মোল্লাবাড়ি জামে মসজিদে নামাজ আদায় শেষে স্থানীয় মুসল্লি ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন তিনি। এ সময় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলেন, তাঁদের খোঁজখবর নেন এবং এলাকার সমস্যা, উন্নয়নচাহিদা ও প্রত্যাশার কথা শোনেন।
সেলিম হোসেন দিপুর ভাষ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সালে দলীয় প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার মধ্য দিয়ে বারদীর রাজনীতিতে নির্বাচনী লড়াইয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন তিনি। দলের প্রতিকূল সময়ে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় থাকার অভিজ্ঞতাকে সামনে রেখে এবার চেয়ারম্যান পদে দলীয় সমর্থন পাওয়ার বিষয়ে প্রত্যাশা ব্যক্ত করছেন এই নেতা।
তিনি বলেন, “আমি দলের একজন ত্যাগী কর্মী। ২০১৬ সালে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করেছি। দলের দুঃসময়ে মাঠে থেকে কাজ করেছি। এখন দলের সুসময়, তাই আমি বিশ্বাস করি, দল আমাকে মূল্যায়ন করবে এবং চেয়ারম্যান পদে দলীয় সমর্থন দেবে।”
তাঁর এই বক্তব্যে উঠে এসেছে রাজনৈতিক জীবনের অবদানের স্বীকৃতি পাওয়ার প্রত্যাশা। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততাকে পুঁজি করে আসন্ন নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন বা সমর্থনের দৌড়ে নিজের অবস্থান শক্ত করতে চান তিনি।
চেয়ারম্যান পদে দলীয় সমর্থন পেলে বারদী ইউনিয়নের উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন সেলিম হোসেন দিপু। তাঁর প্রত্যাশা, স্থানীয় মানুষের সমস্যা চিহ্নিত করে সেগুলোর সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখার সুযোগ পাবেন তিনি।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে স্থানীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি গণসংযোগের মাধ্যমে জনমত ও প্রত্যাশা জানার চেষ্টা করছেন তিনি। রাজনৈতিক অঙ্গনে নিজের অতীত ভূমিকার স্বীকৃতি এবং ভবিষ্যতে জনসেবার সুযোগ—দুই প্রত্যাশাকে সামনে রেখেই এগোচ্ছেন এই সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী।
বারদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে শেষ পর্যন্ত দল কাকে সমর্থন দেবে, তা নির্ধারিত হবে দলীয় সিদ্ধান্তে। তবে সেলিম হোসেন দিপুর প্রত্যাশা স্পষ্ট—দলের দুঃসময়ে তাঁর ভূমিকা ও ত্যাগ বিবেচনায় নিয়ে তাঁকে মূল্যায়ন করা হবে এবং বারদীর মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ দেওয়া হবে।
Leave a Reply