, , ,
শিরোনামঃ
চার খুনের পর একই বাড়িতে গোসল, খেজুর-শসা খেল দুই ঘাতক সিদ্ধিরগঞ্জে পোশাক কারখানায় শ্রমিকদের অসুস্থতা, আতঙ্কে সাধারণ ছুটি বন্দরে বুলবুল হত্যা: ‘সিফাত বাহিনী’র প্রধানসহ ৭ জনের ১০ দিনের রিমান্ড ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষের ১৮ দিন পর খুলছে সরকারি তোলারাম কলেজের শের-ই বাংলা ছাত্রাবাস  মন্ত্রী ডা. আব্দুল মঈন খানের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন প্রশাসকের সৌজন্য সাক্ষাৎ রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, ভূমি সেবায় হয়রানি বন্ধ ও ডিজিটালাইজেশনে গুরুত্বারোপ না:গঞ্জ সিভিল সার্জন ওএসডি হলেও ডা. আতিকুল বারী ও ডা.মোঃ আমিনুল বহাল তবিয়তে; এদের রুখবে কে? চাষাঢ়া রেলস্টেশনে ট্রেনের নিচে পড়ে অজ্ঞাত নারীর মৃত্যু সোনারগাঁয়ে যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে ৯ কেজি গাঁজাসহ চালক ও হেলপারকে আটক রূপগঞ্জে অসহায় নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন, নগদ অর্থ ও খেলাধুলার সামগ্রী বিতরণ

না:গঞ্জ সিভিল সার্জন ওএসডি হলেও ডা. আতিকুল বারী ও ডা.মোঃ আমিনুল বহাল তবিয়তে; এদের রুখবে কে?

নিউজ ২৪ নারায়ণগঞ্জ 

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন ডা. এ,এফ,এম মুশিউর রহমানকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হলেও নানা অভিযোগে অভিযুক্ত বিষয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলেও নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট (খানপুর) হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. মুহাম্মদ আতিকুল বারী ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মো. আমিনুল ইসলাম এখনও স্বপদে বহাল রয়েছেন। এ বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

সম্প্রতি জেলা সিভিল সার্জন ডা. এ,এফ,এম মুশিউর রহমানের বিরুদ্ধে প্রয়াত এক ফ্রানচিলিয়া গোমেজের পেনশনের টাকার চেক দেওয়ার ক্ষেত্রে তার পরিবারের কাছে অর্থ দাবি করার অভিযোগ ওঠে। এ সংক্রান্ত একটি অডিও ক্লিপ জাগো নারায়নগঞ্জ ২৪.কম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি আলোচনায় আসে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৯ আগস্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে ডা. এএফএম মুশিউর রহমানকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করার কথা জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের যুগ্ম সচিব সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষর করেন।

অন্যদিকে, নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট (খানপুর) হাসপাতালে কর্মরত ডা. মুহাম্মদ আতিকুল বারী ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মো. আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে সাধারণ রোগীদের বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা সিদ্ধান্তের তথ্য পাওয়া যায়নি।

এ অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে, একজন জেলা সিভিল সার্জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পর তাকে ওএসডি করা হলেও, একই প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত এসব চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো কেন যথাযথভাবে তদন্ত করা হচ্ছে না।

সাধারণ মানুষের দাবি, কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হোক। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং অভিযোগের ভিত্তি না থাকলে তাদেরও দায়মুক্ত করার ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

তবে সম্প্রতি স্বাস্থ্য সেবা নিয়ে বিভিন্ন জেলায় যে ধরনের অনিয়ম ও দূর্নীতি লক্ষ করা যাচ্ছে সেই প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জোড়ালো নজরদারি প্রয়োজন সেই সাথে দৃষ্টান্ত মূলক শান্তির। তা না হলে এই সব চিকিৎসকদের অবহেলা ও দূর্ণীতির কারনে স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হবে দেশের অগণিত সাধারণ মানুষ।

খবরটি সবার সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর...।