নিউজ ২৪ নারায়ণগঞ্জঃ
নারায়ণগঞ্জ তিনশ শয্যা হাসপাতাল চলতি বছরেই পাঁচশ শয্যা হবে। এজন্য ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ কাজ শেষ পর্যায়ে। একই সাথে এ হাসপাতালের ক্যাম্পাসের ভেতরে প্রতিষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জ নার্সিং কলেজের কাজও এ বছরই শেষ হয়ে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবুল বাসার।
মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে নগরীর বঙ্গবন্ধু সড়কের বালুর মাঠ এলাকায় অবস্থিত সমবায় ব্যাংক ভবনের ষষ্ঠ তলায় প্রতিষ্ঠিত ‘নারায়ণগঞ্জ স্পেশালাইজড হাসপাতালের’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, “নারায়ণগঞ্জ তিনশ শয্যা হাসপাতালে প্রতিমাসে ৬০ হাজার রোগী সেবা নেয়। হাসপাতালে গত মাসে ক্যান্সারসহ ২১৫টি মেজর অপারেশন হয়েছে।”
অনুষ্ঠানে হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডা. শফিউল আলম ফেরদৌসের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জের সিভিল সার্জন এএফএম মুশিউর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শাখাওয়াৎ হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসিনুজ্জামান, নারায়ণগঞ্জ স্পেশালাইজড হাসপাতালের এমডি মোফাজ্জ্বল হোসেন মিন্টু প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জের সিভিল সার্জন মুশিউর রহমান বলেন, “কোনো হাসপাতালে খরচ কত তা আগে থেকে রোগীকে বলে দিতে হবে। কোনো গোপন খরচ যাতে না থাকে। এই শহরের একজন গাইনি প্রফেসর তিনি ভিজিট নিয়েছেন ১৮০০ টাকা। পরে রিপোর্ট দেখাতে গেলে নিচ্ছেন ১২০০ টাকা। এরকম ভিজিট নিলে তো মানুষ বিপদে পড়ে যায়।”
‘নারায়ণগঞ্জ স্পেশালাইজড হাসপাতালের’ চেয়ারম্যান ডা. শফিউল আলম ফেরদৌস বলেন, “কোনো ডাক্তার রোগী দেখতে ভিজিট ফি নেবেন এটা ঠিক আছে। কিন্তু রিপোর্ট দেখাতে রোগী আবার ভিজিট ফি দিতে হবে কেন? আমি মনে করি- এটা রোগীর প্রথম ভিজিটেরই অংশ, ডাক্তারের চিকিৎসার অংশ। আমি আমার ছাত্রদের ও অনুসারীদের রিপোর্ট দেখাতে টাকা না নিতে অনুরোধ জানাই সবসময়।”
Leave a Reply