সোমবার, ১১ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ,
শিরোনামঃ
সেবা গ্রহীতাদের জন্য ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ‘স্নেহকুঞ্জ’ শুভ উদ্বোধন করেন ডিসি রায়হান কবির কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে ফতুল্লায় আবারো বিস্ফোরণ ;একই পরিবারের ৪ জন দগ্ধ  বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী সদস্য এবং দুঃস্থ ও অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের মাঝে জি আর চাউল বিতরণ সোনারগাঁয়ে নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ বিক্রির দায়ে এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা আমরা চাই শ্রমিক ও মালিকপক্ষ নিজেরাই সমস্যার সমাধান করুক: এড.সাখাওয়াত বন্দরে একশো পিস ইয়াবাসহ মাদক বিক্রেতা গ্রেপ্তার  প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় নতুন করে নারায়ণগঞ্জে গার্মেন্টস শিল্পকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়া হবে: মাহদী আমিন পরকীয়ার জেরে ইয়াছিন হত্যা ; ৯ মাস পর রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৩ জন ফতুল্লায় থানা থেকে লুট হওয়া শটগান ও কার্তুজসহ ১ জন গ্রেপ্তার  ফতুল্লার উত্তর ভূঁইগড়ে গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, একই পরিবারের ৫ জন দগ্ধ 

সেবা গ্রহীতাদের জন্য ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ‘স্নেহকুঞ্জ’ শুভ উদ্বোধন করেন ডিসি রায়হান কবির

নিউজ ২৪৪ নারায়ণগঞ্জ:

এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ:

নারী সেবা গ্রহীতা ও তাদের সন্তানদের জন্য ‘স্নেহকুঞ্জ’ নামে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার ও অপেক্ষাগার চালু করেছে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসন।

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের প্রতিটি দপ্তরে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন রকম সেবা গ্রহণের জন্য পুরুষের পাশাপাশি নারী সেবা গ্রহীতাদের ব্যাপক আগমন ঘটে থাকে। অনেক সময় তারা সাথে করে সন্তানদের নিয়ে আসেন। মানসম্মত কোনো অপেক্ষাগার বা নিজের দুগ্ধজাত শিশুর জন্য কোনো ব্যবস্থা না থাকায় তাদের বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসন নারী সেবা গ্রহীতা ও তাদের সন্তানদের জন্য ‘স্নেহকুঞ্জ’ চালু করেছে।

সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম ফয়েজ উদ্দিনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও পরিকল্পনায় নারী ও শিশুদের উপজেলায় অবস্থানকালীন সময়কে স্বস্তিকর ও আনন্দদায়ক করতে এই কর্নারটি চালু করা হয়েছে।

সোমবার, ১১ মে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো: রায়হান কবির এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগটির শুভ উদ্বোধন করেন এবং একই সঙ্গে জেলার অন্যান্য উপজেলায় নারী ও শিশুদের জন্য এরকম অপেক্ষাগার চালু রাখার নির্দেশনা প্রদান করেন।

স্নেহকুঞ্জ উদ্বোধনের পর বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো: রায়হান কবির বলেন, “সরকারি সেবা গ্রহণ করতে এসে কোনো মা যেন বিব্রত না হন, কোনো শিশু যেন কষ্ট না পায় সেটা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। ‘স্নেহকুঞ্জ’ একটি মানবিক উদ্যোগ। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে শুরু করে সব দপ্তরকে সেবামুখী ও নারীবান্ধব করতে হবে। জেলার সব উপজেলায় পর্যায়ক্রমে এ ধরনের সেবা নিশ্চিত করতে হবে। জনবান্ধব প্রশাসন গড়তে হলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উদ্যোগই বড় পরিবর্তন আনে।”

এ সময় উপ-পরিচালক (উপ-সচিব), স্থানীয় সরকার নিলুফা ইয়াসমিনসহ সদর উপজেলার সকল কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

খবরটি সবার সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর...।