, , ,
শিরোনামঃ
ইউনিট কমিটি নিয়ে ক্ষোভ, মহানগর যুবদলে সহিদুল ইসলামের একক কর্মসূচি মাকসুদের ‘নাটক’ নাকি রাজনৈতিক বিরোধ নাকি জমি-সংক্রান্ত দ্বন্দ্ব? প্রধানমন্ত্রীর যাত্রাপথে শুভেচ্ছা জানিয়ে ফেরার পথে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ সজল-সাহেদের নেতৃত্বে তারেক রহমানকে স্বাগত জানিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জে মহানগর যুবদলের শোডাউন সিদ্ধিরগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক কারবারিসহ ৫ জন গ্রেপ্তার সিদ্ধিরগঞ্জে তাঁতী দলের কমিটিতে ইদ্রিস হাসানের পদ, আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপিতে ভোল পাল্টানোর অভিযোগ মোমেন শিকদারের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে, হাসপাতালের বারান্দা-মেঝেতেও চিকিৎসা আড়াইহাজারে কৃষকদের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ, প্রধানমন্ত্রীর প্রতি জেলা প্রশাসকের কৃতজ্ঞতা নারায়ণগঞ্জে ৫ দিনব্যাপী মাশরুম চাষ প্রশিক্ষণের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

প্রথম দিন ঢিলেঢালাভাবে চলল ব্যাংকিং কার্যক্রম

করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে টানা দুই মাসের বেশি সময় পর রোববার (৩১ মে) থেকে স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু হয়েছে। তবে প্রথম দিন ব্যাংকগুলোতে তেমন ভিড় দেখা যায়নি। কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিতিও ছিল কম।

 

রাজধানীর ব্যাংকপাড়া মতিঝিল, দিলকুশা, গুলিস্তান দৈনিক ব্যাংলাসহ বিভিন্ন এলাকায় এ চিত্র দেখা গেছে।

 

ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে গত ২৬ মার্চ থেকে টানা ৬৭ দিন সাধারণ ছুটি থাকলেও লেনদেনসহ ব্যাংকিং কার্যক্রম সীমিত আকারে চলেছে। যার কারণে আজকে তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি। স্বাভাবিক লেনদেন হয়েছে। অনেক ব্যাংকেই কর্মী উপস্থিতি কম। ঢিলেঢালা অবস্থায় লেনদেন হয়েছে। এ সপ্তাহ এ রকমভাবেই চলবে। তবে যেহেতু ব্যবসা ও শিল্প প্রতিষ্ঠান পুরোপুরি খুলে দেয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহ থেকে ব্যাংকগুলোতে ব্যস্ততা বাড়বে বলে মনে করছেন ব্যাংকাররা।

 

প্রথম দিন বেসরকারি সাউথ-ইস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এম কামাল হোসেন বলেন, অন্যান্য দিনের মতো আজকেও স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রম চলছে। ছুটি কমায় তেমন চাপ দেখা যায়নি। তবে করোনাভাইরাসের চলমান পরিস্থিতে আমাদের নিজস্ব একটি পরিকল্পনার মাধ্যমে দুটি গ্রুপে কাজ চালাচ্ছি। আমাদের প্রত্যেক শাখায় এখন ৫০ শতাংশ কর্মী কাজ করছে। বাকিরা ছুটিতে আছে। কাজের চাপ বাড়লে পর্যায়ক্রমে কর্মী সংখ্যা বাড়ানো হবে।

 

সোনালী ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, সাধারণ ছুটি শেষ হলেও অনেকটা ঢিলেঢালা অবস্থায় লেনদেন হচ্ছে। গ্রাহকের তেমন চাপ নেই। সব ধরনের সেবা চালু আছে। সকাল থেকে স্বাভাবিক নিয়মেই ব্যাংক চলছে। এ সপ্তাহ স্বাভাবিকই চলবে। ব্যবসা ও শিল্প প্রতিষ্ঠান পুরোপুরি সচল হলে আগামী সপ্তাহ থেকে ব্যাংকগুলোতেও ব্যস্ততা বাড়বে বলে জানান এ ব্যাংকার।

 

ব্যবসার প্রয়োজনে রাজধানীর নবাবপুর শাখার এসসিসি ব্যাংকের টাকা তুলতে আসা আশরাফুল আলমের এক গ্রাহক জানান, নবাবপুর ইলেক্ট্রনিকসের দোকানের ম্যানেজারে দায়িত্বে আছেন। দীর্ঘদিন বন্ধ রাখার পর আজকে দোকান খুলেছে। নতুন মালামাল কেনার জন্য নগদ টাকার লাগবে তাই টাকা উঠাতে ব্যাংকে এসেছেন।

খবরটি সবার সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর...।