সোমবার, ৯ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ,
শিরোনামঃ
যেই হাত নিয়ে কেন্দ্র দখলে আসবে, সেই হাত জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে ভেঙে দেবে: আল আমিন নারায়ণগঞ্জের নারীদের নিয়ে ব্যাপক কাজ করবো,তাদের অসুবিধাগুলো সমাধান করবো: নার্গিস মাকসুদ স্বামীর ছুরিকাঘাতে নারী উদ্যােক্তা ইতি মারা যায়, আদালতে সেন্টুর স্বীকারোক্তি  এই নির্বাচনকে ঘিরে যেন কোনো অরাজকতা বা অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে: মান্নান হরিণ প্রতীকের গণজোয়ারে কোনো হুমকি-ধমকি বলা ষড়যন্ত্র টিকবে না :শাহ আলম যখন বসন্তকাল চলে যায়, কোকিলকে আর খুঁজে পাওয়া যায় না: গিয়াসউদ্দিন আড়াইহাজারে কয়েকটি ভোট কেন্দ্র পরিদর্শনে সেনাবাহিনী জোট প্রার্থী মনির কাসেমী বিরুদ্ধে কোটি টাকার মানহানি মামলা  নাসিক ৮ নং ওয়ার্ডে সাবেক ছাত্রদল নেতা খোকনের নেতৃত্বে ধানের শীষে ভোট চেয়ে গণসংযোগ স্বতন্ত্র প্রার্থী গিয়াসউদ্দিনের প্রচারে না যাওয়ায় মা-মেয়েকে লাঞ্ছিতের অভিযোগ

প্রথম দিন ঢিলেঢালাভাবে চলল ব্যাংকিং কার্যক্রম

করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে টানা দুই মাসের বেশি সময় পর রোববার (৩১ মে) থেকে স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু হয়েছে। তবে প্রথম দিন ব্যাংকগুলোতে তেমন ভিড় দেখা যায়নি। কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিতিও ছিল কম।

 

রাজধানীর ব্যাংকপাড়া মতিঝিল, দিলকুশা, গুলিস্তান দৈনিক ব্যাংলাসহ বিভিন্ন এলাকায় এ চিত্র দেখা গেছে।

 

ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে গত ২৬ মার্চ থেকে টানা ৬৭ দিন সাধারণ ছুটি থাকলেও লেনদেনসহ ব্যাংকিং কার্যক্রম সীমিত আকারে চলেছে। যার কারণে আজকে তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি। স্বাভাবিক লেনদেন হয়েছে। অনেক ব্যাংকেই কর্মী উপস্থিতি কম। ঢিলেঢালা অবস্থায় লেনদেন হয়েছে। এ সপ্তাহ এ রকমভাবেই চলবে। তবে যেহেতু ব্যবসা ও শিল্প প্রতিষ্ঠান পুরোপুরি খুলে দেয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহ থেকে ব্যাংকগুলোতে ব্যস্ততা বাড়বে বলে মনে করছেন ব্যাংকাররা।

 

প্রথম দিন বেসরকারি সাউথ-ইস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এম কামাল হোসেন বলেন, অন্যান্য দিনের মতো আজকেও স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রম চলছে। ছুটি কমায় তেমন চাপ দেখা যায়নি। তবে করোনাভাইরাসের চলমান পরিস্থিতে আমাদের নিজস্ব একটি পরিকল্পনার মাধ্যমে দুটি গ্রুপে কাজ চালাচ্ছি। আমাদের প্রত্যেক শাখায় এখন ৫০ শতাংশ কর্মী কাজ করছে। বাকিরা ছুটিতে আছে। কাজের চাপ বাড়লে পর্যায়ক্রমে কর্মী সংখ্যা বাড়ানো হবে।

 

সোনালী ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, সাধারণ ছুটি শেষ হলেও অনেকটা ঢিলেঢালা অবস্থায় লেনদেন হচ্ছে। গ্রাহকের তেমন চাপ নেই। সব ধরনের সেবা চালু আছে। সকাল থেকে স্বাভাবিক নিয়মেই ব্যাংক চলছে। এ সপ্তাহ স্বাভাবিকই চলবে। ব্যবসা ও শিল্প প্রতিষ্ঠান পুরোপুরি সচল হলে আগামী সপ্তাহ থেকে ব্যাংকগুলোতেও ব্যস্ততা বাড়বে বলে জানান এ ব্যাংকার।

 

ব্যবসার প্রয়োজনে রাজধানীর নবাবপুর শাখার এসসিসি ব্যাংকের টাকা তুলতে আসা আশরাফুল আলমের এক গ্রাহক জানান, নবাবপুর ইলেক্ট্রনিকসের দোকানের ম্যানেজারে দায়িত্বে আছেন। দীর্ঘদিন বন্ধ রাখার পর আজকে দোকান খুলেছে। নতুন মালামাল কেনার জন্য নগদ টাকার লাগবে তাই টাকা উঠাতে ব্যাংকে এসেছেন।

খবরটি সবার সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর...।