বুধবার, ৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৫শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ,
শিরোনামঃ
সকল ধর্ম-বর্ণের মানুষের অংশগ্রহণে আমরা একটি সুন্দর ও সুশৃঙ্খল বৈশাখ উদযাপন: ডিসি দীর্ঘ দুই বছর ধরে ব্ল্যাকমেইল ও হয়রানি শিকার ব্যবসায়ী সোহাগ রূপগঞ্জে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিকদের ওপর ‘খারা মোশাররফ’র নেতৃত্বে হামলা:১৮ লাখ টাকার সরঞ্জাম লুট ফতুল্লায় দুʼটি শিল্প অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও জরিমানা  নারায়ণগঞ্জে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উদযাপন  সদর উপজেলায় ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উদ্বোধন আড়াইহাজারে পুলিশের অভিযানে ২২ কেজি গাঁজাসহ ২ জন গ্রেপ্তার  খালকে কেন্দ্র করে যে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতো, তা আর থাকবে না: মামুন মাহমুদ সদর উপজেলায় দরিদ্র মানুষের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ করেছে পল্লী মঙ্গল কর্মসূচী বন্দরে মাতৃ ছায়া ফাউন্ডেশনের উদ্বোধন করলেন নার্গিস মাকসুদ

প্রথম দিন ঢিলেঢালাভাবে চলল ব্যাংকিং কার্যক্রম

করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে টানা দুই মাসের বেশি সময় পর রোববার (৩১ মে) থেকে স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু হয়েছে। তবে প্রথম দিন ব্যাংকগুলোতে তেমন ভিড় দেখা যায়নি। কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিতিও ছিল কম।

 

রাজধানীর ব্যাংকপাড়া মতিঝিল, দিলকুশা, গুলিস্তান দৈনিক ব্যাংলাসহ বিভিন্ন এলাকায় এ চিত্র দেখা গেছে।

 

ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে গত ২৬ মার্চ থেকে টানা ৬৭ দিন সাধারণ ছুটি থাকলেও লেনদেনসহ ব্যাংকিং কার্যক্রম সীমিত আকারে চলেছে। যার কারণে আজকে তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি। স্বাভাবিক লেনদেন হয়েছে। অনেক ব্যাংকেই কর্মী উপস্থিতি কম। ঢিলেঢালা অবস্থায় লেনদেন হয়েছে। এ সপ্তাহ এ রকমভাবেই চলবে। তবে যেহেতু ব্যবসা ও শিল্প প্রতিষ্ঠান পুরোপুরি খুলে দেয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহ থেকে ব্যাংকগুলোতে ব্যস্ততা বাড়বে বলে মনে করছেন ব্যাংকাররা।

 

প্রথম দিন বেসরকারি সাউথ-ইস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এম কামাল হোসেন বলেন, অন্যান্য দিনের মতো আজকেও স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রম চলছে। ছুটি কমায় তেমন চাপ দেখা যায়নি। তবে করোনাভাইরাসের চলমান পরিস্থিতে আমাদের নিজস্ব একটি পরিকল্পনার মাধ্যমে দুটি গ্রুপে কাজ চালাচ্ছি। আমাদের প্রত্যেক শাখায় এখন ৫০ শতাংশ কর্মী কাজ করছে। বাকিরা ছুটিতে আছে। কাজের চাপ বাড়লে পর্যায়ক্রমে কর্মী সংখ্যা বাড়ানো হবে।

 

সোনালী ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, সাধারণ ছুটি শেষ হলেও অনেকটা ঢিলেঢালা অবস্থায় লেনদেন হচ্ছে। গ্রাহকের তেমন চাপ নেই। সব ধরনের সেবা চালু আছে। সকাল থেকে স্বাভাবিক নিয়মেই ব্যাংক চলছে। এ সপ্তাহ স্বাভাবিকই চলবে। ব্যবসা ও শিল্প প্রতিষ্ঠান পুরোপুরি সচল হলে আগামী সপ্তাহ থেকে ব্যাংকগুলোতেও ব্যস্ততা বাড়বে বলে জানান এ ব্যাংকার।

 

ব্যবসার প্রয়োজনে রাজধানীর নবাবপুর শাখার এসসিসি ব্যাংকের টাকা তুলতে আসা আশরাফুল আলমের এক গ্রাহক জানান, নবাবপুর ইলেক্ট্রনিকসের দোকানের ম্যানেজারে দায়িত্বে আছেন। দীর্ঘদিন বন্ধ রাখার পর আজকে দোকান খুলেছে। নতুন মালামাল কেনার জন্য নগদ টাকার লাগবে তাই টাকা উঠাতে ব্যাংকে এসেছেন।

খবরটি সবার সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর...।