, , ,
শিরোনামঃ
পুলিশের বিশেষ অভিযানে নারায়ণগঞ্জে ১৫৪ জন গ্রেপ্তার হকারদের সহযোগিতায় যানজটমুক্ত ও সবুজ নগর গড়তে চান নাসিক প্রশাসক ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে ভাড়া নিয়ে নীতিগত ঐকমত্য, স্থগিত ব্লকেড কর্মসূচি চাষাঢ়া যানজটমুক্ত রাখার ঘোষণা শুধু মুখে নয়, বাস্তবেও দেখা যাবে: এসপি হাবিবুর ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: এমপি মান্নান জুলাই গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ দুই সাক্ষীর শামীম ওসমানসহ আসামিদের বিচার দাবি আড়াইহাজারে বেশি দামে এলপিজি বিক্রি, দুই ব্যবসায়ীকে ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা সোনারগাঁয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ ৬ জন গ্রেপ্তার নারায়ণগঞ্জ শহরে যানজট নিরসনে ২২ ট্রাফিক ভলান্টিয়ারের কার্যক্রম উদ্বোধন দীর্ঘ ৮ বছর পর নারায়ণগঞ্জ সদরে ৬ষ্ঠ কাব ক্যাম্পুরীর মহা আয়োজন: ৭০ স্কুলের ৫৫০ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ দুই সাক্ষীর শামীম ওসমানসহ আসামিদের বিচার দাবি

নিউজ ২৪ নারায়ণগঞ্জ

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় নারায়ণগঞ্জে গুলিবিদ্ধ হওয়া হাসান গাজী ও আল আমিন সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমান, তার ছেলে অয়ন ওসমান, ভাতিজা আজমেরী ওসমানসহ মামলার ১২ আসামির বিচার দাবি করেছেন।

রোববার (৪ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ জবানবন্দি শেষে তারা এ দাবি জানান। নারায়ণগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ১০ জনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় হাসান গাজী ও আল আমিন যথাক্রমে ১১তম ও ১২তম সাক্ষী হিসেবে ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দেন।

জবানবন্দিতে ৩৯ বছর বয়সী হাসান গাজী বলেন, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই নারায়ণগঞ্জ শহরের উকিলপাড়া ২ নম্বর রেলগেট এলাকায় তিনি ছাত্র-জনতার আন্দোলনে অংশ নেন। তার দাবি, ওই সময় শামীম ওসমানের নেতৃত্বে তার ছেলে অয়ন ওসমান, ভাতিজা আজমেরী ওসমানসহ মামলার কয়েকজন আসামি এবং আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আন্দোলনকারীদের মিছিল লক্ষ্য করে ককটেল ও গুলি ছোড়েন। এতে মিছিলটি ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।

হাসান গাজী জানান, ওই সময় একটি গুলি তার বাঁ হাঁটুতে লাগে এবং তিনি মাটিতে পড়ে যান। পরে চিকিৎসা নিলেও তার পা স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে ট্রাইব্যুনালকে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালের আশপাশে শামীম ওসমানের অনুসারীরা অবস্থান করছিলেন বলে তিনি দেখতে পান। নিরাপত্তাজনিত কারণে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পরামর্শে তাকে সেখান থেকে চলে যেতে হয়। ফলে যথাযথ চিকিৎসা চালিয়ে যেতে না পারায় তিনি স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ববরণ করেন বলে জবানবন্দিতে দাবি করেন।

অন্যদিকে, ২৪ বছর বয়সী আল আমিন জবানবন্দিতে জানান, তিনি আগে অটোরিকশা চালালেও বর্তমানে বেকার। ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই নারায়ণগঞ্জের জালকুড়ি ব্রিজের নিচে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে অংশ নেন তিনি।

আল আমিনের ভাষ্য, একপর্যায়ে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা আন্দোলনকারীদের ধাওয়া দেয়। পরে শামীম ওসমানের নেতৃত্বে অন্য আসামিরা আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালান বলে তিনি দাবি করেন। এ সময় তার পায়ের গোড়ালির ওপর গুলি লাগে। চিকিৎসা নেওয়ার পরও তিনি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেননি বলে ট্রাইব্যুনালকে জানান।

জবানবন্দিতে দুই সাক্ষীই ১৯ জুলাই নারায়ণগঞ্জে আন্দোলনের সময় আরও অনেক ছাত্র-জনতা হতাহত হওয়ার কথা উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।

নারায়ণগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ১০ জনকে হত্যার ঘটনায় সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচার কার্যক্রম চলছে। আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের অনুপস্থিতিতেই মামলার বিচারকাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

খবরটি সবার সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর...।