বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ,
শিরোনামঃ
৫ দিনেও পরিচয় মিলেনি ডেমরা থেকে উদ্ধার হওয়া লাশের রাজধানীর মোহাম্মদপুরে বাসার সামনে ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত দু’জন নারায়ণগঞ্জে গ্রেপ্তার  নারায়ণগঞ্জ সিটি প্রেসক্লাবের তালা ভেঙ্গে মালামাল চুরি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে মাসুদুজ্জামানের উদ্যােগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল  দীর্ঘদিন কারাবাসের পর মুক্তি পেলেন সাবেক মেয়র আইভী  নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিতে চায়না প্রতিনিধিদলের সাথে নাসিক প্রশাসকের মতবিনিময়  প্রচণ্ড রৌদ্রের প্রখরতায় পথচারী, শ্রমজীবী ও ট্রাফিকদের জন্য ডিসি ও এসপির মানবিক উদ্যোগ সর্ব মহলে প্রশংসিত ফতুল্লায় মোবাইল ফোন কিনে না দেওয়ায় বাবাকে কুপিয়ে জখম  বন্দরে টিউবওয়েল বসাতে গিয়ে স্কুল দপ্তরীর মৃত্যু  আওয়ামীলীগ নেতার সভাপতিত্বে জিয়াউর রহমানের নামে দোয়া মাহফিল, অতিথি এমপি কালাম, তোলপাড় 

আগামী ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে ১১ দিনব্যাপী হাম–রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন

নিউজ ২৪ নারায়ণগঞ্জঃ 

নারায়ণগঞ্জে আগামী ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে ১১ দিনব্যাপী হাম–রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন। এ সময়ে জেলার পাঁচটি উপজেলায় (সিটি করপোরেশন এলাকা ছাড়া) ২ লাখ ৫৯ হাজার ৩৮৬ শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা সিভিল সার্জন।

রোববার (১৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মুহাম্মদ মুশিউর রহমান।

তিনি বলেন, বর্তমানে জেলায় হামের প্রাদুর্ভাব তুলনামূলক কম থাকলেও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এই ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতালে তিনজন শিশু ভর্তি রয়েছে। জেলায় পর্যাপ্ত টিকা মজুদ রয়েছে বলেও জানান তিনি।

ক্যাম্পেইন পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম আট দিন অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের এক ডোজ হামের টিকা দেওয়া হবে। পরবর্তী তিন দিন একই বয়সী বিদ্যালয়গামী শিশুদের নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টিকা প্রদান করা হবে।

যেসব শিশু টিকা নিতে বাদ পড়বে, তারা উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের স্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র থেকে টিকা নিতে পারবে।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রতিদিন ১৩২টি টিম কাজ করবে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় ১ হাজার ৫৬টি অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে একজন টিকাদানকর্মী ও দুজন স্বেচ্ছাসেবকসহ অন্তত তিনজন দায়িত্ব পালন করবেন।

শিক্ষক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সমন্বয়ে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে বলেও জানানো হয়।

এর আগে ১৬ এপ্রিল সিভিল সার্জনের সভাপতিত্বে জেলা পর্যায়ে অ্যাডভোকেসি ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশ নেন। উপজেলা ও ওয়ার্ড পর্যায়েও ওরিয়েন্টেশন ও প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন হয়েছে।

জনসচেতনতা বাড়াতে মাইকিং, গণমাধ্যমে প্রচার, বাড়ি বাড়ি যোগাযোগ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিবন্ধন কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানেও প্রচারণা চালানো হচ্ছে। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা ও উপজেলা হাসপাতালগুলোতে বিশেষ মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে।

সিভিল সার্জন বলেন, হাম ভ্যাকসিন নিরাপদ। এই কর্মসূচি সফল করতে গণমাধ্যমকর্মীসহ সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

জানা গেছে, সোমবার রূপগঞ্জ উপজেলার জিন্দা পার্কে এ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

খবরটি সবার সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর...।