সোমবার, ৩০শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৬ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ,
শিরোনামঃ
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শ্রাবণের পাশে যুবদল নেতা সরদার সুজন স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাজিবের নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য র‍্যালিতে জেলা যুবদল নেতাদের মিছিল নিয়ে যোগদান স্বাধীনতা দিবসে বিজয় স্তম্ভে গণসংহতি আন্দোলনের শ্রদ্ধা  একদল ছিল একাত্তরের রাজাকার আরেক দল চব্বিশের রাজাকার: রাজিব মহান স্বাধীনতা দিবস আমাদের জাতির গৌরব ও আত্মত্যাগের স্মারক: এমপি মান্নান স্বাধীনতা দিবসে বিজয় স্তম্ভে জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির শ্রদ্ধা  স্বাধীনতার যে আকাঙ্ক্ষা নিয়ে যুদ্ধ হয়েছিল, আমরা সেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারিনি: এড. সাখাওয়াত হোসেন  স্বাধীনতা দিবসে বিজয় স্তম্ভে জেলা পুলিশের পুষ্পস্তবক অর্পণ স্বাধীনতার পরও সমাজে নানা ধরনের বৈষম্য রয়ে গেছে: ডিসি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ‘মহাঅষ্টমী স্নান’ উৎসব শুরু

পটুয়াখালীতে জোড়া লাগানো শিশুর জন্ম নেই পায়ুপথ

নিউজ ২৪ নারায়ণগঞ্জঃ

পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এই প্রথম জোড়া লাগানো শিশুর জন্ম হয়েছে। বর্তমানে শিশু দুটি সদর হাসপাতালের স্পেশাল নবজাতক পরিচর্যা কেন্দ্রে (স্কানু) এবং শিশুর মা গাইনি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন।

রবিবার ২৮ শে (ফেব্রুয়ারি) দুপুরে দিকে পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে তাদের জন্ম হয়। জানা যায় সদর উপজেলার লোহালিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা বশির শিকদার (২৫) ও রেখা দম্পতির প্রথম সন্তান এটি। তারা বর্তমানে হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মোস্তাফিজুর রহমানের তত্ত্বাবধায়নে আছে। ডাঃ মোস্তাফিজু রহমান বলেন, শিশু দুইটির হাত, পা ও হৃদপিণ্ড আলাদা। তবে তাদের প্রস্রাব ও পায়খানার রাস্তা নেই। স্বাভাবিক ভাবেই তারা অক্সিজেন গ্রহণ করছে। কিন্তু যতোক্ষণ পর্যন্ত তাদের পায়খানার রাস্তা না হয় ততোক্ষণ তাদের খাবার জাতীয় কোনো কিছু দেওয়া যাবে না। পটুয়াখালীতে শিশু সার্জন না থাকায় তাদের জন্য এখানে কিছু করা সম্ভব নয়, তাই আমরা তাদের বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালে রেফার করেছি। পটুয়াখালীতে এরকম ঘটনা এটিই প্রথম বলে জানান। এদিকে জোড়া শিশুদের স্পেশাল নবজাতক পরিচর্যা কেন্দ্রে (স্কানু) মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ রাণী জামান সার্বক্ষণিক শিশুদের দেখাশুনা করছেন। তার সঙ্গে দুজন সেবিকা রয়েছে। শিশুর বাবা বশির শিকদার বলেন, এটিই আমাদের প্রথম বাচ্চা, বিয়ের এক বছর পরে এ বাচ্চার জন্ম হয়। অপারেশনের পর জানতে পারলাম, জোড়া লাগানো শিশু। কি আর করবো, ডাক্তার স্যারেরা যা বলবেন, তাই করবো, যতটুকু সম্ভব। তিনি আরও বলেন, কিছুদিন আগে রেখা অসুস্থ হলে আমরা ডাক্তার দেখাই, ডাক্তার আলট্রাসনোগ্রাফি করে আমাদের কিছু বলেননি বরিশাল পাঠিয়েছিলো। আমরা বাড়ি ফিরে আসি, কিছুদিন পর রেখা আবার অসুস্থ হয়ে পরে। তারপর সদর হাসপাতালে ভর্তি করি। অপারেশনের মাধ্যমে জোড়া লাগানো শিশুর জন্ম হয়।

খবরটি সবার সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর...।