, , ,
শিরোনামঃ
নারায়ণগঞ্জ সরকারী টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের আয়োজনে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা  নারায়ণগঞ্জে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে মাইকিং করে সড়ক প্রচারে জেলা তথ্য অফিস উৎসবে নিত্যপণ্যের দাম কমিয়ে চট্টগ্রামে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করায় সর্ব মহলে প্রশংসিত ডিসি জাহিদ নিজে খারাপ থেকে অন্যকে শাসন করার সুযোগ জাতীয়তাবাদী দলে নেই: রাজীব পোস্ট বাজেট সিম্পোজিয়াম-এ একজন বিশিষ্ট প্যানেলিস্ট হিসেবে অংশগ্রহণ করেন বিকেএমইএ সভাপতি হাতেম সিদ্ধিরগঞ্জে নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের ১৩০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা নারায়ণগঞ্জের আদালত চত্বর থেকে চুরি হওয়া প্রাইভেট কার উদ্ধার ; সংঘবদ্ধ চোর চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার  ক্যাডেট এএসআই (নি:) পদে নিয়োগ হবে অত্যন্ত স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ এবং দুর্নীতিমুক্ত : এসপি মিজানুর রহমান মুন্সী নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে জুমার নামাজ শেষে মুসল্লিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন ডিসি মো. রায়হান কবির আড়াইহাজারের বিভিন্ন সরকারি দপ্তর পরিদর্শনে ডিসি রায়হান কবির

ঢামেকে শুরু হচ্ছে প্লাজমা থেরাপি

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নতুন ভবনে শুরু হচ্ছে প্লাজমা থেরাপি। করোনা থেকে সুস্থ হতে এটি একটি কার্যকর চিকিৎসা পদ্ধতি। তবে এই চিকিৎসার জন্য সবার আগে এগিয়ে আসতে হবে করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ফেরা ব্যক্তিদের। তাদের শরীরের প্লাজমায় বাঁচবে অন্যরা।

 

শনিবার (১৬ মে) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হেমাটোলজি বিভাগের প্রধান প্রফেসর ডাক্তার এম এ খান জানান, ‘বিশ্বের কয়েকটি দেশ করোনা আক্রান্তদের এই প্লাজমা থেরাপি চিকিৎসা দিয়ে ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ সফলতা পেয়েছে। চীনে ১০ জন করোনা রোগীর উপর এই প্লাজমার থেরাপি চিকিৎসা দেওয়া হয়। এদের মধ্যে তিনজন রোগী ভেন্টিলেটরে ছিলেন। চিকিৎসকদের স্ট্যাডি থেকে জানা যায়, ওই থেরাপির কারণে সবাই সুস্থ হন।

 

এছাড়া গতকাল আমেরিকার একটি হাসপাতালের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। তারা ২৩ জন করোনা রোগীকে প্লাজমা থেরাপি চিকিৎসা দিয়েছে। তাদের মধ্যে ২১ জনই সুস্থ হয়েছেন।’

 

এর পদ্ধতি সম্পর্কে তিনি জানান, করোনা আক্রান্ত হয়ে সুস্থ রোগীর শরীর থেকে হলুদ রঙের প্লাজমা সংগ্রহ করা হবে। করোনা থেকে যেসব ব্যক্তি সুস্থ হচ্ছেন তাদের এগিয়ে আসতে হবে। সারা বিশ্বে এই চিকিৎসায় সুস্থতার হার বেশি হওয়ায় বাংলাদেশের চিকিৎসকরাও প্লাজমা থেরাপিতে আশার আলো দেখছে।

 

‘করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে অনেকেই সুস্থ হয়েছেন। ওইসব ব্যক্তির শরীরে এন্টিবডি তৈরি হয়েছে। তাদের কাছ থেকে মেশিনের মাধ্যমে হলুদ রঙের প্লাজমা সংগ্রহ করা হবে। বাকি রক্তগুলো ওই মেশিন মাধ্যমে প্লাজমাদাতার শরীরে চলে যাবে। এতে প্লাজমা দাতাদের কোনো সমস্যা হবে না। এসব প্লাজমাদাতাদের করোনা রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নিয়ম মেনে আনুমানিক চারশ থেকে ছয়শো এম এল প্লাজমা সংগ্রহ করা হবে।’

 

তিনি অনুরোধ করেন এই মহৎ কাজের জন্য করোনা থেকে সুস্থ ব্যক্তিরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে যেন এগিয়ে আসেন। দাতাদের কোনো সমস্যা হবে না বলে তিনি নিশ্চিত করেন। রক্তের গ্রুপভিত্তিক রোগীদের প্লাজমা থেরাপি চিকিৎসা দেওয়া হবে।

খবরটি সবার সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর...।