, , ,
শিরোনামঃ
অপুর উদ্যোগে নাসিক ৮ নম্বর ওয়ার্ডে পানির সংকট নিরসনে দুটি সাবমারসিবল পাম্প উদ্বোধন সাখাওয়াতের ডাইস-কেমিক্যাল ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি: ন্যূনতম ডাইং চার্জ পুনর্নির্ধারণের দাবি অটোরিকশা ডাম্পিংয়ের নামে চাঁদাবাজি বন্ধের হুঁশিয়ারি, দুই সপ্তাহে বৈধ গাড়ির হিসাব চূড়ান্ত সিদ্ধিরগঞ্জ থানা ও ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের উদ্যোগে ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প, অপুর ব্যবস্থাপনায় উদ্বোধন করলেন প্রশাসক সাখাওয়াত নারায়ণগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় ৮৪ জন গ্রেপ্তার, ২৬ হাজার ইয়াবা ও আড়াই কেজি গাঁজা উদ্ধার শেখ মোহাম্মদ অপুর পৃষ্ঠপোষকতায় সিদ্ধিরগঞ্জে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প বন্দরে তিতাসের অভিযান, আড়াই হাজার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন আড়াইহাজারে পরিবেশগত ক্ষতির দায়ে প্রবাসী হাসপাতালকে ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ জোসেফের নেতৃত্বে নারায়ণগঞ্জে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর র‍্যালি, ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের দাবি বন্দরে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে নাসিকের অভিযান, পুরোপুরি সিলগালায় এক মাসের সময়

জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন ২০২৫ উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে সিভিল সার্জন 

নিউজ ২৪ নারায়ণগঞ্জ:

নারায়ণগঞ্জ জেলার ৫টি উপজেলায় (সিটি করপোরেশন এলাকা ব্যতীত) ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৩ লাখ ৪০ হাজার ৫০৬ জন শিশুকে শনিবার (১৫ মার্চ) থেকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল।জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলে কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই।

বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) সকালে নারায়ণগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষ্যে সাংবাদিক ওরিয়েন্টন সভায় জেলা সিভিল সার্জন ডা. আ. ফ ম. মুশিউর রহমান।

এ সময় তিনি আরও জানান, জেলার ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৪২ হাজার ২৪৯ জন শিশুকে নীল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল ও ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ২ লাখ ৯৮ হাজার ২১২ শিশুকে লাল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এছাড়া শিশুকে জন্মের ৬ (ছয়) মাস পর্যন্ত বুকের দুধ পান করাতে হবে এবং শিশুর বয়স ৬মাস পূর্ন হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি ঘরে তৈরী সুষম খাবার খাওয়ানো বিষয়ে পুষ্টি বার্তা প্রচার করা হইবে। অত্র জেলায় (সিটি করপোরেশন ব্যতিত) স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র ১ হাজার ৫৬টি, প্রতি কেন্দ্রে মোট ৩ জন (স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মীসহ) শিক্ষক ও স্বেচ্ছাসেবকের মাধ্যমে জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন কার্যক্রম বাস্তবায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। দিবসটি পালনের জন্য সর্বস্তরের জনগোষ্ঠিকে অবহিত করার জন্য নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন ও উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের মাধ্যমে সর্বত্র মাইকে প্রচারনার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তাছাড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে দিবসটি সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করেছেন। জেলা তথ্য বিভাগ এর মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য ও মাইকিং এর মাধ্যমে জনগণের মাঝে সচেতনতা মূলক প্রচারনা অব্যাহত আছে। এছাড়াও জেলার মসজিদগুলোতে মাইকের মাধ্যমে জানানোর জন্য ইমামদের প্রতি নির্দেশনা প্রেরণ করা হয়েছে। যেসব এলাকায় শিশুদের বাদ পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সেসব এলাকাগুলোতেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে ইটভাটা, বেদেপল্লী, পথশিশু, চর এলাকা, এতিমখানা, বস্তিসহ অন্যান্য দুর্গম এলাকাগুলোতে ক্যাম্পেইনের পরবর্তী ৪ দিন অনুসন্ধান চালানো হবে। কোন শিশু যদি ক্যাম্পেইনের দিন বাদ পড়ে যায় তাহলে পরেও স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে খেতে পারবে। জেলা ইপিআই সুপারিন্টেন্ডেন্ট লুৎফর রহমানের সঞ্চালনায় সভায় প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. একেএম মেহেদী হাসান।

সভায় অন্যান্যদের আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ইমুনাইজেশন মেডিকেল অফিসার ডা. মোরশেদুল ইসলাম খান, ডা. নাসিরুল হক, স্টোর কিপার ইব্রাহীম খান, শওকত জামান, পরিসংখ্যানবিদ মো. সাইফুল সালমান সহ প্রমূখ।

খবরটি সবার সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর...।