শুক্রবার, ২০শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ,
শিরোনামঃ
নাসিক ৮ নং ওয়ার্ডে মহানগরী জামায়াতের ঈদ সামগ্রী বিতরণ ফ্যাক্টরির যন্ত্রপাতি বিক্রি করে শ্রমিকের বকেয়া বেতন পরিশোধ করে ইতিহাস গড়লেন মানবিক ডিসি জাহিদুল ইসলাম মায়ের আঁচল সাহিত্য সামাজিক মৈত্রী পরিষদ কর্তৃক শতাধিক গরিব অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ নারায়ণগঞ্জ জাগ্রত যুব সংসদের উদ্যােগে সেলাই মেশিন বিতরণ নারায়ণগঞ্জে ২৭টি ওয়ার্ডে মাসুদুজ্জামানের ঈদ উপহার পেলো ৫৪০ জন ইমাম ও মুয়াজ্জিন  এমপি সাহেব আপনাদে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তা পূরণ করার চেষ্টা করছেন: সজীব বন্দরে তরুন সমাজের উদ্যোগে গরীব দুস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ সিদ্ধিরগঞ্জে “মরহুম গোলাপ প্রধান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উদ্যােগে হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ ৫০ ঊর্ধ্বে কফি হাউজ শেষবলা ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ জাতীয় যুব শক্তির নেতা নিরব রায়হানে উদ্যােগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ 

জমি ও স্বামী হারিয়ে মানবেতর জীবন যাপন বিধবার

নিউজ ২৪ নারায়ণগঞ্জ :
পৈত্তিক জমি ও স্বামী দুটি হারিয়ে নারায়ণগঞ্জের বন্দরে বসবাসরত এক বিধবা মানবেতর জীবন যাপন করছেন।অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী মোতালেবের কাছ থেকেপাওয়ারের কথা বলে জমি দখল করে রেখেছেন চাঁদপুর জেলার মতলব উল্টর উপজেলার গজরা ইউপি চেয়ারম্যান হানিফ দর্জি।

জমিটি রয়েছে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কুতুবপুর ইফনিয়ণ পরিষদের নিশ্চিন্তপুর এলাকায়। তিনি বর্তমানে ওই চেয়ারম্যানের ভয়ে বসবাস করছেন বন্দর উপজেলার তিনগাও এলাকায়।

জানা গেছে, বিধবা নারী সৈয়দা ফাহমিদার স্বামী মোতালেবের কাছ থেকে ছয় মাসের জন্য জমির পাওয়ার নেয় ওই চেয়ারম্যান। শর্ত ছিল জমি বিক্রি করে তাদের পাওনা তাদেরকে বুঝিয়ে দিবে। তবে পাওয়ার নেয়ার পর কোন পাত্তাই দেয়নি মোতালেবকে। চেয়ারম্যানের পিছে ঘুরতে ঘুরতে সে মারা যায়। জমি বসতবাড়ি হারিয়ে পরিবারটি রয়েছে চরম নিরাপত্তহীনতায়। একই সাথে দখলকৃত জমিতে বাড়ি ঘর নির্মান করে মাসে মোটা অংকের টাকা আয় করছেন অভিযুক্ত গৎরা ইফনিয়ণ পরিষদ চেয়ারম্যান হানিফ দর্জি।

এ বিষয়ে গজরা ইউনিয়ণ পরিষদ চেয়ারম্যান চেয়ারমান হানিফ দর্জি ‘নিউজ ২৪ নারায়ণগঞ্জ’ কে জানান, তার ভাগ্নে সাথে যৌথভাবে জমি কিনে নিয়েছেন। কারো কাছ থেকে কোন পাওয়ার নো হয়নি। রেজিষ্ট্রি করে নেয়া হয়েছে।
এ দিকে অসহায় নারী সৈয়দা ফাহমিদার জানান, তাদের দখলকৃত জমি ফেরত সহ ওই চেয়ারম্যানের বিচার দাবী করেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে।

স্থানীয়রা জানান, এই জমির মূল মালিক ফাহমিদার বাবা ডা: আব্দুল ওয়াদুদ। তার মৃত্যুও পর তার সন্তানরা মালিক হয়। সবাই মিলে ফাহমিদার স্বামী মোতালেবকে পাওয়ার দেয়া হয়। আর মোতালিব দেয় চেয়ারম্যানকে। এর চেয়ে বেশী কিছু জানি না।

খবরটি সবার সাথে শেয়ার করুন

One response to “জমি ও স্বামী হারিয়ে মানবেতর জীবন যাপন বিধবার”

  1. মো রবিউল সরকার says:

    ওরে তজনতো করে বিচারের আনা হওক ওরজিনিয়া মালিককে তার জায়গা ফিরিয়ে দেওয়া হওক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর...।