বৃহস্পতিবার, ১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ,
শিরোনামঃ
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এনসিপির প্রার্থী আলআমিনের উপর হামলার চেষ্টা, আহত ২ আপনাদের সমর্থন ছাড়া আমি এক কদমও এগোতে পারতাম না: গিয়াসউদ্দিন  মনোনয়ন বৈধ ঘোষণার পর আমার কর্মী ও সমর্থকদের বিভিন্নভাবে হুমকি-ধামকি দিচ্ছে: মাকসুদ হোসেন  গণভোট হ্যাঁ’ বা ‘না’—যেটিতে ভোট দেবেন, সেটি সম্পূর্ণ আপনাদের সিদ্ধান্ত: ডিসি সোনারগাঁয়ে অবৈধ প্রক্রিয়ায় খাদ্য প্রস্তুত ও বাজারজাত করার অভিযোগে বেকারিকে এক লাখ টাকা জরিমানা চাষাড়ায় বাবুর্চি রায়হান হত্যার মূল আসামী রাজ্জাকের চার সহযোগী গ্রেপ্তার  সিদ্ধিরগঞ্জে চাঁদা না পেয়ে কাপড় ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম ছাত্রলীগ সন্দেহে যুবককে আটকে আইনজীবীদের তোপের মুখে ছাত্রদল প্রতিটা ইন্ডাস্ট্রিতে যদি বাতি জ্বলে, তারাব’বাসী আমার ভাই-বোনদের ঘরে বাতি জ্বলতে হবে:দিপু ভূইয়া সন্ত্রাসী গ্রেপ্তারের নামে ভুয়া মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার আমরা চাই: মুফতি কাসেমী 

সন্ত্রাসী গ্রেপ্তারের নামে ভুয়া মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার আমরা চাই: মুফতি কাসেমী 

নিউজ ২৪ নারায়ণগঞ্জ: 

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পেশিশক্তির ব্যবহার রোধে সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের অনুরোধ জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসনের বিএনপি জোটের প্রার্থী মুফতি মনির হোসেন কাসেমী। একই সঙ্গে তিনি সন্ত্রাসী গ্রেপ্তারের নামে ভুয়া মামলা দিয়ে নির্দোষ মানুষদের গ্রেপ্তার না করার আহ্বান জানান।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টায় নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ আহ্বান জানান।

আসন্ন নির্বাচনে পেশিশক্তি ও অস্ত্র ব্যবহারের আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “বিগত ১৭-১৮ বছর ফ্যাসিবাদের অধীনে অস্ত্রের ঝনঝনানি চলত। সমাজের বিভিন্ন কালো গলিতে এসব অস্ত্র ব্যবহারও হতো। যেহেতু নির্বাচন একেবারেই সন্নিকটে, সেহেতু নির্বাচনের সময় যেন কোনো অবৈধ অস্ত্র মাঠে না থাকে। পুলিশ প্রশাসনের ওপর আমাদের আস্থা আছে। তারা চাইলে এক সপ্তাহের মধ্যেই এগুলো পুরোপুরি ক্লিয়ার করতে পারবে। কোনোভাবেই যেন অস্ত্রের অপব্যবহার না হয় এবং কারো কাছে অবৈধ অস্ত্র না থাকে।”

নির্বাচনের আগে সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, “সন্ত্রাসী যে দলেরই হোক না কেন, যারা নির্বাচনে কোনো ধরনের প্রভাব বিস্তার করতে পারে। এমন সন্ত্রাসীদের নির্বাচনের আগেই গ্রেপ্তার করতে হবে। নির্বাচনের পরে আদব-কায়দা শিখিয়ে ছেড়ে দিলেও আপত্তি নেই। কিন্তু নির্বাচনকালীন সময়ে যেন তারা কোনোভাবেই সমাজে বিচরণ করতে না পারে। এই কাজ করতে গিয়ে যেন নির্দোষ মানুষ আইনের প্যাঁচে পড়ে জেল না খাটে, সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে। শুধুমাত্র কোনো একটি দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলেই সেই দলের সবাইকে ধরে ফেলা গ্রহণযোগ্য নয়। সন্ত্রাসী গ্রেপ্তারের নামে ভুয়া মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার আমরা চাই না।”

কালো টাকার ছড়াছড়ির অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “আমি দুর্বল, এই দুর্বলতার জায়গা হলো, আমি শিল্পপতি নই। আমার কাছে সেই পরিমাণ অর্থ নেই, যে পরিমাণে অন্যদের ‘টাকার কুমির’ বলা হয়। ইতোমধ্যেই কানে আসছে যে তারা টাকার ছড়াছড়ি করছে। এই নির্বাচনে যদি টাকার খেলা চলে এবং কালো টাকার ছড়াছড়ি হয়- যা আচরণবিধির সরাসরি লঙ্ঘন- তাহলে নির্বাচন আর নির্বাচন থাকবে না; তা প্রহসনে পরিণত হবে।”

প্রশাসনের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “চৌকস থাকবেন এবং অবৈধ চর্চা থেকে আমাদের যুবসমাজ ও ভোটারদের হেফাজত করুন। অন্তত কালো টাকায় যেন মানুষ বিভ্রান্ত হয়ে ভুল জায়গায় ভোট না দেয়। এজন্য এগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখার যে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার, তা অবশ্যই নিতে হবে।”

নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে মুফতি মনির হোসেন কাসেমী বলেন, “আমি দুর্বল, মানুষ হিসেবে দুর্বল, প্রার্থী হিসেবেও দুর্বল। পাবলিকের পারসেপশন অনুযায়ী একজন হুজুর কতটাই বা শক্তিশালী, এই ধারণাটাও আমার মধ্যে আছে। তবে আমার দল দেশের বৃহত্তর দলের সঙ্গে জোটবদ্ধ। সেই জোটের প্রার্থী হিসেবে আমি দলীয়ভাবে সবচেয়ে শক্তিশালী। কিন্তু ব্যক্তি হিসেবে আমি অভদ্রভাবে চলাফেরা করি না, হিংস্রতা দেখাই না, সন্ত্রাসী ভাব নিয়ে চলি না বা দম্ভভরে কথা বলি না। আমি বিনয়ের সঙ্গে কথা বলি। সেই বিনয়ের মধ্যেই অন্তর্নিহিত শক্তি রয়েছে, এতে কোনো দুর্বলতা নেই।”

লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আসন্ন নির্বাচনে প্রশাসন যেন অন্তত সবার ক্ষেত্রে সমান থাকে। সবাইকে সমান সুযোগ করে দিতে হবে। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড যেন সবার জন্য এক হয় এবং কোনো ধরনের বৈষম্য যেন না থাকে।

খবরটি সবার সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর...।