সোমবার, ৯ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ,
শিরোনামঃ
যেই হাত নিয়ে কেন্দ্র দখলে আসবে, সেই হাত জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে ভেঙে দেবে: আল আমিন নারায়ণগঞ্জের নারীদের নিয়ে ব্যাপক কাজ করবো,তাদের অসুবিধাগুলো সমাধান করবো: নার্গিস মাকসুদ স্বামীর ছুরিকাঘাতে নারী উদ্যােক্তা ইতি মারা যায়, আদালতে সেন্টুর স্বীকারোক্তি  এই নির্বাচনকে ঘিরে যেন কোনো অরাজকতা বা অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে: মান্নান হরিণ প্রতীকের গণজোয়ারে কোনো হুমকি-ধমকি বলা ষড়যন্ত্র টিকবে না :শাহ আলম যখন বসন্তকাল চলে যায়, কোকিলকে আর খুঁজে পাওয়া যায় না: গিয়াসউদ্দিন আড়াইহাজারে কয়েকটি ভোট কেন্দ্র পরিদর্শনে সেনাবাহিনী জোট প্রার্থী মনির কাসেমী বিরুদ্ধে কোটি টাকার মানহানি মামলা  নাসিক ৮ নং ওয়ার্ডে সাবেক ছাত্রদল নেতা খোকনের নেতৃত্বে ধানের শীষে ভোট চেয়ে গণসংযোগ স্বতন্ত্র প্রার্থী গিয়াসউদ্দিনের প্রচারে না যাওয়ায় মা-মেয়েকে লাঞ্ছিতের অভিযোগ

যখন বসন্তকাল চলে যায়, কোকিলকে আর খুঁজে পাওয়া যায় না: গিয়াসউদ্দিন

নিউজ ২৪ নারায়ণগঞ্জঃ 

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেছেন, “২০১৮ সালে এই স্বর্ণলতা এসেছিল ও বিএনপির মূল গাছের ওপর বসেছিল। নির্বাচন করতে গিয়ে রাতের আঁধারে পালিয়ে গেছে। তৎকালীন সময় বিএনপির যে নেতাকর্মীরা ছিল তারা কিছুদিন তার পক্ষে কাজ করেছে, তাদের ছেড়ে পালিয়ে গেছে। নির্বাচনের মাঠ থেকে যে পালিয়ে যায়, সে বীরপুরুষ নয়, কাপুরুষ। সেই কাপুরুষ আবার এসেছে, মূল গাছের ওপর ভর করে। সে এখন অনেক প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। যে কাপুরুষ আবার আগাছা, সে এলাকার মানুষের জন্য কী করে কাজ করবে।”

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফতুল্লা রেলস্টেশন এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগকালে তিনি এ কথা বলেন।

গিয়াস উদ্দিন বলেন, “আমাদের মধ্যে এমন এক ব্যক্তি নির্বাচনে দাঁড়িয়েছে, যিনি এই ফতুল্লাবাসীর উন্নয়ন বা কল্যাণে ১০ টাকার কাজও কোনো দিন করেননি। এলাকার মানুষ তাকে চিনেও না। বসন্তকালে কোকিল ডাকে এবং তার মধুর সুর সবার হৃদয় আকৃষ্ট করে। আবার যখন বসন্তকাল চলে যায়, কোকিলকে আর খুঁজে পাওয়া যায় না।”

তিনি আরও বলেন, “নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপির মধ্যে অনেক যোগ্য প্রার্থী আছে, তারা মনোনয়নের জন্য চেষ্টা করেছে। আমিও করেছি, কিন্তু দল আমাদের দেয়নি। দিয়েছে যাকে, তাকে এই এলাকার মানুষ চেনে না। এবং সে এই এলাকার উন্নয়নে কোনো দিন কাজ করেনি।”

স্বতন্ত্র এই প্রার্থী বলেন, “আমি নির্বাচন করি, আমাকে চিনেন অথবা নাম জানেন। এলাকার রাস্তা-ঘাট, স্কুল, মসজিদ ও কবরস্থানসহ বিভিন্ন জায়গায় চোখ খুললে দৃশ্যমান উন্নয়ন দেখতে পারবেন। এছাড়াও এই এলাকার সন্তানরাও নির্বাচনে দাঁড়িয়েছে, তাদেরও হয়তো কখনো কখনো পাশে পেয়েছেন এবং কোনো না কোনো উপকার হয়েছে।

খবরটি সবার সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর...।