নিউজ ২৪ নারায়ণগঞ্জ:
সোনারগাঁয়ের দৈলেরবাগ এলাকায় অস্ত্র ঠেকিয়ে এক নারীকে গণধর্ষণ ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টায় পৌরসভার দৈলেরবাগ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। বুধবার রাতে ওই নারী বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় ৮ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলা অনুযায়ী, সোনারগাঁ থানার পুলিশ গণধর্ষণের প্রধান আসামি মো. সজিবকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃত সজিব উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের হাবিবপুর গ্রামের মৃত সবুজ মিয়ার ছেলে।
মামলায় বাদী উল্লেখ করেন, মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলার বালুয়াকান্দি এলাকার ৪০ বছর বয়সী ওই নারী বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সহকারী বাবুর্চির কাজ করেন। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তিনি তার দেবর কামাল হোসেনের সঙ্গে মদনপুর এলাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বোনকে দেখতে যান। পরে সিএনজি যোগে রাত সাড়ে ১১টার দিকে সোনারগাঁয়ের কৃষ্ণপুরা এলাকায় উদ্দেশ্যে তার খালাতো ভাইয়ের বাড়ি যাওয়ার জন্য রওনা দেন। পথে চিলারবাগ এলাকায় আসামি সজিবের নেতৃত্বে অপর আসামিদের সহায়তায় সিএনজির গতিরোধ করে। তারা দেশীয় অস্ত্র ঠেকিয়ে ওই নারীকে দৈলেরবাগ এলাকার একটি পরিত্যক্ত টিনশেড বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে মারধর করে নগদ ১৬ হাজার টাকা ও স্বর্ণের কানের দুল ছিনিয়ে নেয় এবং পরে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়।
এদিকে, সজিবকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কুয়েত প্রবাসীর গাড়ি ছিনতাইকালে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। তার গ্রেপ্তারের পর ওই নারী থানায় এসে তাকে চিনতে পারেন এবং রাতে প্রধান আসামি সজিবসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
সোনারগাঁ থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল বারী বলেন, “গণধর্ষণের ঘটনায় মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ভূক্তভোগী নারীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।”
Leave a Reply