রবিবার, ৬ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ,
শিরোনামঃ
আমাদের দেশে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান সবাই একসঙ্গে কাজ করে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা  বন্দরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বার্ষিক মহাষ্টমীর স্নানোৎসব শু মায়ের আঁচল সংগঠনের উদ্যোগে শতাধিক গরীব অসহায়দের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ  স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বিএনপি আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়েছে: গিয়াসউদ্দিন  আড়াইহাজারে জঙ্গল থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার নারায়ণগঞ্জে অপরাধীদের ধরতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন বাংলাদেশ রিপোর্টার্স ক্লাব ,নাঃগঞ্জ এর পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদ উল ফিতরের শুভেচ্ছা দেশবাসীকে পবিত্র ঈদ উল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মানবাধিকার কর্মী এম এ হোসাইন রাজ সাংবাদিক ভূইয়া কাজল এর ঈদ শুভেচ্ছা ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাবেক কাউন্সিলর সাদরিল

বন্দরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বার্ষিক মহাষ্টমীর স্নানোৎসব শু

নিউজ ২৪ নারায়ণগঞ্জঃ

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বার্ষিক মহাষ্টমীর স্নানোৎসব শুরু হয়েছে। পাপ মোচনের আশায় প্রতি বছরের মতো এবারও লাখো পূণ্যার্থী অংশ নেন এই স্নানে। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রাত ২টা থেকে শুরু হয়ে শনিবার (৫ এপ্রিল) রাত ১২টা ৪৫ পর্যন্ত  চলবে এই ধর্মীয় উৎসব।

দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ফুল, বেলপাতা, ধান, দূর্বা, হরীতকী, আম্রপল্লব ও ফলসহ নদীতে স্নান করেন। স্নানের পাশাপাশি নদীর পাড়ের ঘাটগুলোতে চলে বাসন্তী পূজাও।

২০ বছর পর স্নানোৎসবে অংশ নিতে আসা বন্দরের রীতা রানী সরকার (৬৩) বলেন, “কন্যা ও ছেলের বউকে সঙ্গে নিয়ে এসেছি। প্রার্থনা করেছি নাতি-নাতনিদের এবং পরিবারের সবার জন্য।”

তপন দাস (৩৫), কুমিল্লা থেকে পরিবার নিয়ে অংশ নিতে আসেন। তিনি বলেন, “ঈশ্বরের কাছে সকলের মঙ্গল কামনা করেছি।”

নরসিংদী থেকে আসা চন্দ্রা রানী সাহা (৫৫) বলেন, “মায়ের হাত ধরে প্রথম এসেছিলাম, এরপর থেকে প্রতি বছর অফিস ছুটি থাকলেই এখানে আসি। প্রার্থনা মনেই করি।”

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী স্নানোৎসব পরিদর্শন করে বলেন, “এখানে স্নান করলে মানুষ পবিত্র হয়। আমি আশা করবো সবাই এই পবিত্রতা বজায় রাখবেন। এবার নদীর পানি ভালো ছিল এবং পূণ্যার্থীদের সংখ্যা অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেক বেশি।”

তিনি আরও বলেন, “এখানে হিন্দু-মুসলিম সবাই মিলেমিশে কাজ করছে। আমাদের মধ্যে কোনো ধর্মীয় ভেদাভেদ নেই। আমরা সবাই বাংলাদেশি, একে অপরের ধর্মকে সম্মান করি। এই সম্প্রদায়গত সম্প্রীতি বাংলাদেশে সবসময়ই বিদ্যমান।”

স্নান উৎযাপন কমিটির সদস্য শংকর সাহা জানান, “২০টি ঘাট এবং ৫৮টি সেবা ক্যাম্পের মাধ্যমে পূণ্যার্থীদের সেবা দেওয়া হচ্ছে।”

এদিকে বিশৃঙ্খলা এড়াতে একাধিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী স্নানোৎসব এলাকা ঘিরে কাজ করে যাচ্ছে।

খবরটি সবার সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর...।