নিউজ ২৪ নারায়ণগঞ্জঃ
নারায়ণগঞ্জের কৃতিসন্তান, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের নিবেদিত প্রাণ ও গরীব দুঃখী মানুষের আস্থারস্থল নাসিক ১৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ দিদার খন্দকার’কে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন আওতাভুক্তধীন নাসিক ১৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী।তরুণদের মাঝে যেমন জনপ্রিয়, তেমনি মুরুব্বিদের কাছেও গ্রহণযোগ্য নাম “মোঃ দিদার খন্দকার”।
১৪ নং ওয়ার্ডের অভিভাবক হিসেবে দিদার খন্দকার’কে পেতে চায় বলে তৈরি হয়েছে ঐক্যবদ্ধ কয়েকটি ইউনিট। তারা দিদার খন্দকারের কাছে জোড় দাবি জানিয়েছে তিনি যেন কাউন্সিল প্রার্থী হন।
দিদার খন্দকার কাউন্সিলর হলে ওয়ার্ড ওয়ার্ডবাসীর জন্য কতটুকু সুফল বয়ে আনবে ওয়ার্ডের কয়েকজন বাসিন্দার কাছে জানতে চাইলে তারা জানান, দলমত নির্বিশেষে দিদার খন্দকার আমাদের পাশে ছিলেন এবং আছেন। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে হামলা, মামলা নির্যাতিত হয়েছেন, পালিয়ে থেকেও তার পরিবারের মাধ্যমে আমাদের খোজখবর নিয়েছেন। তিনি সকল ধর্মের মানুষ অসহায়, প্রতিবন্ধী, দৃষ্টিহীনদের জন্য চিকিৎসা থেকে শুরু করে সব ধরনের সহযোগিতা করে গেছেন এখনও করে যাচ্ছেন। তিনি নিজ অর্থায়নে এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। যিনি সব সময় সুখে দুখে আমাদের পাশে ছিলেন এবং আছেন তাকেই আমরা ১৪ নং ওয়ার্ডবাসীর সর্বস্তরের জনগণ আমাদের প্রতিনিধি হিসেবে চাই।
তারা আরোও বলেন, দিদার খন্দকার যদি রাজি নাহয় আমরা ওয়ার্ডবাসী মিলে তাকে আগামী নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ১৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হিসেবে আমরা তাকে জয়ী করে নিয়ে আসবো। আমাদের ওয়ার্ডে যদি দিদার খন্দকারকে প্রার্থী হিসেবে দেখতে না পাই তাহলে ভোট কেন্দ্রেই যাবো না।
মোঃ দিদার খন্দকার বলেন, গণতন্ত্র, রাজনীতি এবং আন্দোলন এই শব্দগুচ্ছের সঙ্গে অনেক আগে থেকেই আমার পরিচয়। আমার রন্ধ্রে রন্ধ্রে রাজনীতির বসবাস। রাজনীতি যেন আমার রক্তের প্রতিটি কণার সঙ্গে মিশে আছে।
তিনি আরও বলেন, আজ আপনারা আমাকে ভালবেসে কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চাইছেন। তাদের ভালবাসায় আমি নিজেও প্রস্তুত, যদি আমি মনোনয়ন পাই তাহলে বর্তমান সরকারের উন্নয়নের কাছে নিজের মেধা ও পরিশ্রম দিয়ে আধুনিক উন্নত একটি ১৪নং ওয়ার্ড পরিনত করার চেষ্টা করবো।
আমি সকলের কাছে দোয়া ও ভালবাসা চাই এবং আপনারা যেভাবে অতিতেও আমাকে ভালবেসে পাশে ছিলেন, আগামীতেও যেন সেভাবে পাশে থাকেন। এলাকাবাসীর দোয়া ও ভালবাসাই আমার চলার পথের শক্তি সঞ্চয় হবে।
Leave a Reply