রবিবার, ৩রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ,
শিরোনামঃ
নারায়ণগঞ্জে বর্ণাঢ্য ও উৎসবমুখর আয়োজনে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ এর উদ্বোধন বন্দরে তিন বন্ধুকে পিটিয়ে মোবাইল ও নগদ টাকা ছিনতাই, থানায় মামলা  বন্দরে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে অস্ত্র লুটের ঘটনায় তিনজন গ্রেপ্তার ইম্পেরিয়াল ফটোজার্নালিস্ট অ্যাপ্রিসিয়েশন অ্যাওয়ার্ড পেলেন নারায়ণগঞ্জের ফটোসাংবাদিক সবুজ সোনারগাঁয়ে ট্রাক দুর্ঘটনায় চালকসহ দুইজন নিহত ফতুল্লায় জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক মামুন মাহমুদ  সিদ্ধিরগঞ্জে ৬ টি ওয়ান শুটারগান ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার  বন্দরে ছিনতাইয়ের তদন্ত করতে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ, অস্ত্র লুট; চার ঘন্টা পর উদ্ধার  রূপগঞ্জে পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারী গ্রেপ্তার  শ্রমিক জাগরণ মঞ্চের  ১৪০ তম আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংহতি দিবস পালিত

সাবেক সেনাপ্রধান কেএম সফিউল্লাহ’র দাফন সম্পুর্ণ 

নিউজ ২৪ নারায়ণগঞ্জঃ 

সাবেক সেনাপ্রধান ও মুক্তিযুদ্ধের ৩ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব.) কেএম সফিউল্লাহ (বীর উত্তম)-এর মরদেহ জানাজা নামাজ শেষে বনানীস্থ সেনাবাহিনী কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

রোববার (২৬ জানুয়ারি) বাদ জোহর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কাজী আব্দুল হামিদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বনানীস্থ সেনাবাহিনী কবরস্থানে তাঁকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

জানাজায় অংশ নেন রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু, রূপগঞ্জ থানার ওসি লিয়াকত আলী, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুন, সাধারণ সম্পাদক বাছির উদ্দিন বাচ্চু, এবং পরিবারের সদস্যরা।

মেজর জেনারেল কেএম সফিউল্লাহ দীর্ঘদিন ধরেই নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। গত ২ জানুয়ারি তাঁকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রোববার সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।

১৯৩৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের দক্ষিণ নবগ্রামে জন্মগ্রহণকারী কেএম সফিউল্লাহ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ৩ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে তাঁর সাহসী ভূমিকার জন্য তিনি “বীর উত্তম” খেতাবে ভূষিত হন।

স্বাধীনতার পর ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের প্রথম সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৬ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত তিনি মালয়েশিয়া, কানাডা, সুইডেন ও ইংল্যান্ডে রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন মেয়ে, এক ছেলে এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

খবরটি সবার সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর...।