সোমবার, ২০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ,
শিরোনামঃ
সিদ্ধিরগঞ্জে মজুদ রাখা ১১২০ ছিটান জ্বালানি তেল উদ্ধার করলো ভ্রাম্যমান আদালত  সোনারগাঁয়ে তেলবাহী গাড়ি উদ্ধার করতে এসে লুট হওয়া ৭ গ্রেনেড উদ্ধার করলো ডিবি পুলিশ  আগামী ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে ১১ দিনব্যাপী হাম–রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন আধুনিক বিশ্বে বিজ্ঞানের উন্নয়ন দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে: সাংসদ আবুল কালাম শীতলক্ষ্যা নদী থেকে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির ভাসমান লাশ উদ্ধার মশিউর রনির বিরুদ্ধে মিথ্যা ভিত্তিহীন মামলা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় যুবদল বন্দরে মাদক বিরোধী অভিযানে ২০ পিস ইয়াবাসহ ১ জন গ্রেপ্তার  সিদ্ধিরগঞ্জে হকার উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৫ বন্দরে পিতা-মাতার সাথে অভিমান করে ১৫ বছরের স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা  শীতলক্ষ্যাকে কীভাবে বাঁচাতে হবে, সেটাও আজকের এই প্রদর্শনী আমাদের সামনে তুলে ধরেছে: প্রশাসক সাখাওয়াত

সাবেক সেনাপ্রধান কেএম সফিউল্লাহ’র দাফন সম্পুর্ণ 

নিউজ ২৪ নারায়ণগঞ্জঃ 

সাবেক সেনাপ্রধান ও মুক্তিযুদ্ধের ৩ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব.) কেএম সফিউল্লাহ (বীর উত্তম)-এর মরদেহ জানাজা নামাজ শেষে বনানীস্থ সেনাবাহিনী কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

রোববার (২৬ জানুয়ারি) বাদ জোহর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কাজী আব্দুল হামিদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বনানীস্থ সেনাবাহিনী কবরস্থানে তাঁকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

জানাজায় অংশ নেন রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু, রূপগঞ্জ থানার ওসি লিয়াকত আলী, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুন, সাধারণ সম্পাদক বাছির উদ্দিন বাচ্চু, এবং পরিবারের সদস্যরা।

মেজর জেনারেল কেএম সফিউল্লাহ দীর্ঘদিন ধরেই নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। গত ২ জানুয়ারি তাঁকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রোববার সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।

১৯৩৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের দক্ষিণ নবগ্রামে জন্মগ্রহণকারী কেএম সফিউল্লাহ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ৩ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে তাঁর সাহসী ভূমিকার জন্য তিনি “বীর উত্তম” খেতাবে ভূষিত হন।

স্বাধীনতার পর ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের প্রথম সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৬ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত তিনি মালয়েশিয়া, কানাডা, সুইডেন ও ইংল্যান্ডে রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন মেয়ে, এক ছেলে এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

খবরটি সবার সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর...।