শুক্রবার, ১৩ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ,
শিরোনামঃ
ডাকাতি, ছিনতাই ও মাদক নির্মূলে পুলিশের ভূমিকা সত্যিই প্রশংসনীয়: সজীব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশনায় চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসী-মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা হচ্ছে  সিদ্ধিরগঞ্জে হলিডে স্পোটিং ক্লাবের উদ্যােগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল সিদ্ধিরগঞ্জে বালুর ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত আমার নারায়ণগঞ্জ’-এর ইফতার মাহফিলে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ নারায়ণগঞ্জের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: মাসুদুজ্জামান মাসুদুজ্জামান মাসুদ ভাই সবসময় নারায়ণগঞ্জবাসীর স্বার্থে কাজ করেছেন: রাজিব আমার নারায়ণগঞ্জ’ সংগঠনটি অনেকদিন ধরে কাজ করছে,একটি সুন্দর নারায়ণগঞ্জ গড়ার লক্ষ্যে: এমপি আল-আমিন  নারায়ণগঞ্জে গণঅধিকার পরিষদের ইফতার মাহফিলে প্রতিমন্ত্রী ভিপি নুর ফতুল্লায় আমিন স্কয়ার নামে এক নামে কারখানাকে লাখ টাকা জরিমানা 

সাবেক সেনাপ্রধান কেএম সফিউল্লাহ’র দাফন সম্পুর্ণ 

নিউজ ২৪ নারায়ণগঞ্জঃ 

সাবেক সেনাপ্রধান ও মুক্তিযুদ্ধের ৩ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব.) কেএম সফিউল্লাহ (বীর উত্তম)-এর মরদেহ জানাজা নামাজ শেষে বনানীস্থ সেনাবাহিনী কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

রোববার (২৬ জানুয়ারি) বাদ জোহর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কাজী আব্দুল হামিদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বনানীস্থ সেনাবাহিনী কবরস্থানে তাঁকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

জানাজায় অংশ নেন রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু, রূপগঞ্জ থানার ওসি লিয়াকত আলী, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুন, সাধারণ সম্পাদক বাছির উদ্দিন বাচ্চু, এবং পরিবারের সদস্যরা।

মেজর জেনারেল কেএম সফিউল্লাহ দীর্ঘদিন ধরেই নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। গত ২ জানুয়ারি তাঁকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রোববার সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।

১৯৩৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের দক্ষিণ নবগ্রামে জন্মগ্রহণকারী কেএম সফিউল্লাহ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ৩ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে তাঁর সাহসী ভূমিকার জন্য তিনি “বীর উত্তম” খেতাবে ভূষিত হন।

স্বাধীনতার পর ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের প্রথম সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৬ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত তিনি মালয়েশিয়া, কানাডা, সুইডেন ও ইংল্যান্ডে রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন মেয়ে, এক ছেলে এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

খবরটি সবার সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর...।