সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ,
শিরোনামঃ
বন্দরে স্কুল ভবনের নিচতলায় এলপি গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবসা ; ঝুঁকিতে শত শত শিক্ষার্থী আড়াইহাজারে স্ত্রীর গলা টিপে হত্যাচেষ্টার ভিডিও ভাইরাল, স্বামী গ্রেপ্তার এনডিএ- চেয়ারম্যানকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা তাঁতীদলের সভাপতি তাজুল ইসলামের ফুলেল শুভেচছা এনডিএ- চেয়ারম্যানকে নাসিক ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ডি এইচ বাবুল ও সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন স্বাধীন ও অঙ্গ সংগঠনের ফুলেল শুভেচছা  ফতুল্লায় যৌথ অভিযানে মাদক ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৭ জন গ্রেপ্তার  ফতুল্লায় পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি পেনগান উদ্ধার  ফতুল্লার মাসদাইরে ফের পুলিশের ওপর হামলা; ৫ সদস্য আহত নারায়ণগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা: চাঞ্চল্যকর মামলা, মাদক ও ছিনতাই দমনে কঠোর নির্দেশ পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম নির্ধারিত সময়ের আগেই হাসপাতালে পৌঁছে উপস্থিতি যাচাই, অসন্তোষ প্রকাশ; নবনির্মিত আইসিইউ বেডের উদ্বোধন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সাবেক সেনাপ্রধান কেএম সফিউল্লাহ’র দাফন সম্পুর্ণ 

নিউজ ২৪ নারায়ণগঞ্জঃ 

সাবেক সেনাপ্রধান ও মুক্তিযুদ্ধের ৩ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব.) কেএম সফিউল্লাহ (বীর উত্তম)-এর মরদেহ জানাজা নামাজ শেষে বনানীস্থ সেনাবাহিনী কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

রোববার (২৬ জানুয়ারি) বাদ জোহর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কাজী আব্দুল হামিদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বনানীস্থ সেনাবাহিনী কবরস্থানে তাঁকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

জানাজায় অংশ নেন রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু, রূপগঞ্জ থানার ওসি লিয়াকত আলী, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুন, সাধারণ সম্পাদক বাছির উদ্দিন বাচ্চু, এবং পরিবারের সদস্যরা।

মেজর জেনারেল কেএম সফিউল্লাহ দীর্ঘদিন ধরেই নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। গত ২ জানুয়ারি তাঁকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রোববার সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।

১৯৩৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের দক্ষিণ নবগ্রামে জন্মগ্রহণকারী কেএম সফিউল্লাহ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ৩ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে তাঁর সাহসী ভূমিকার জন্য তিনি “বীর উত্তম” খেতাবে ভূষিত হন।

স্বাধীনতার পর ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের প্রথম সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৬ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত তিনি মালয়েশিয়া, কানাডা, সুইডেন ও ইংল্যান্ডে রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন মেয়ে, এক ছেলে এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

খবরটি সবার সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর...।