সোমবার, ২রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ,
শিরোনামঃ
ধানের শীষের পক্ষে পাঠানটুলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১০৩ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচনী পরিচালনা কেন্দ্র কমিটি গঠন বেকারত্ব, গ্যাস সংকটসহ যেসব নাগরিক সমস্যা রয়েছে, আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে সেগুলো সমাধানের চেষ্টা করব: দিপু ভূঁইয়া  আমাদের শান্তি ও মুক্তির নিশ্চয়তার জন্য আল্লাহ প্রদত্ত বিধানের কোনো বিকল্প নেই: মাসুম বিল্লাহ ধানের শীষের প্রচারণা শেষে বাড়ি ফেরার পথে গাড়িতে গুলি, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ছাত্রদল ও যুবদল নেতা যতদিন বেঁচে থাকবো, ততদিন দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই: গিয়াসউদ্দিন বন্দরে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর পুড়ে ছাই, ১০ লাখ টাকার ক্ষতি  কারো ব্যক্তিগত বক্তব্যে নেতাকর্মীদের বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান: সজীবের ফতুল্লায় ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে এক শিক্ষক গ্রেপ্তার  মাইকে ভোট চেয়ে নারীদের হাতে প্লেট ও টাকা দেওয়া জোট প্রার্থী কাসেমীকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা  জনগণ এখন আর হুমকি-ধামকিকে তোয়াক্কা করে না: শাহ আলম

সাবেক সেনাপ্রধান কেএম সফিউল্লাহ’র দাফন সম্পুর্ণ 

নিউজ ২৪ নারায়ণগঞ্জঃ 

সাবেক সেনাপ্রধান ও মুক্তিযুদ্ধের ৩ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব.) কেএম সফিউল্লাহ (বীর উত্তম)-এর মরদেহ জানাজা নামাজ শেষে বনানীস্থ সেনাবাহিনী কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

রোববার (২৬ জানুয়ারি) বাদ জোহর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কাজী আব্দুল হামিদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বনানীস্থ সেনাবাহিনী কবরস্থানে তাঁকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

জানাজায় অংশ নেন রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু, রূপগঞ্জ থানার ওসি লিয়াকত আলী, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুন, সাধারণ সম্পাদক বাছির উদ্দিন বাচ্চু, এবং পরিবারের সদস্যরা।

মেজর জেনারেল কেএম সফিউল্লাহ দীর্ঘদিন ধরেই নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। গত ২ জানুয়ারি তাঁকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রোববার সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।

১৯৩৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের দক্ষিণ নবগ্রামে জন্মগ্রহণকারী কেএম সফিউল্লাহ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ৩ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে তাঁর সাহসী ভূমিকার জন্য তিনি “বীর উত্তম” খেতাবে ভূষিত হন।

স্বাধীনতার পর ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের প্রথম সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৬ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত তিনি মালয়েশিয়া, কানাডা, সুইডেন ও ইংল্যান্ডে রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন মেয়ে, এক ছেলে এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

খবরটি সবার সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর...।