রবিবার, ৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৫শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ,
শিরোনামঃ
স্বতন্ত্র প্রার্থী গিয়াসউদ্দিনের প্রচারে না যাওয়ায় মা-মেয়েকে লাঞ্ছিতের অভিযোগ পার্লারের টয়লেট থেকে নিখোঁজের ৯ দিনপর এক নারী উদ্যোক্তার মরদেহ উদ্ধার আড়াইহাজারে সড়ক দখল করে বিএনপি প্রার্থী আজাদের নির্বাচনী মঞ্জ, উচ্ছেদ ও জরিমানা আমরা প্রতিশ্রুতিতে নয়, কাজে বিশ্বাস করি: কালাম বন্দর থানার ওসি একটি বিশেষ প্রার্থীর পক্ষে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন: তারিকুল জনপ্রতিনিধি মানে জনগণের চাকর, জনগণের ওপর বসে থাকা কোনো প্রভু নয়:অঞ্জন দাস কিছু কিছু প্রার্থী শুনতাছি কোটি কোটি টাকা খরচ করছে: নান্নু মুন্সি মান্নান সাহেব কিছুদিন আগে দস্তখত করা শিখেছে, তাকে মনোনয়ন দিয়েছে: গিয়াসউদ্দিন সিদ্ধিরগঞ্জে নাসিক ৮ নং ওয়ার্ডে ধানের শীষের গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ ব্যক্তিগত মতপার্থক্য ভুলে দলের স্বার্থে কাজ করতে হবে: দিপু ভূঁইয়া

সাবেক সেনাপ্রধান কেএম সফিউল্লাহ’র দাফন সম্পুর্ণ 

নিউজ ২৪ নারায়ণগঞ্জঃ 

সাবেক সেনাপ্রধান ও মুক্তিযুদ্ধের ৩ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব.) কেএম সফিউল্লাহ (বীর উত্তম)-এর মরদেহ জানাজা নামাজ শেষে বনানীস্থ সেনাবাহিনী কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

রোববার (২৬ জানুয়ারি) বাদ জোহর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কাজী আব্দুল হামিদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বনানীস্থ সেনাবাহিনী কবরস্থানে তাঁকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

জানাজায় অংশ নেন রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু, রূপগঞ্জ থানার ওসি লিয়াকত আলী, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুন, সাধারণ সম্পাদক বাছির উদ্দিন বাচ্চু, এবং পরিবারের সদস্যরা।

মেজর জেনারেল কেএম সফিউল্লাহ দীর্ঘদিন ধরেই নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। গত ২ জানুয়ারি তাঁকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রোববার সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।

১৯৩৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের দক্ষিণ নবগ্রামে জন্মগ্রহণকারী কেএম সফিউল্লাহ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ৩ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে তাঁর সাহসী ভূমিকার জন্য তিনি “বীর উত্তম” খেতাবে ভূষিত হন।

স্বাধীনতার পর ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের প্রথম সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৬ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত তিনি মালয়েশিয়া, কানাডা, সুইডেন ও ইংল্যান্ডে রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন মেয়ে, এক ছেলে এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

খবরটি সবার সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর...।