শুক্রবার, ২৩শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ,
শিরোনামঃ
মদনপুর গেস্টহাউজ থেকে এক নারীসহ ৬ জনকে আটক করেছে সেনাবাহিনী প্রতীক পাওয়ার পর থেকেই মানুষের মাঝে ব্যাপক সাড়া পড়েছে: মাকসুদ হোসেন ভোটকে টাকা, সন্ত্রাস ও পেশিশক্তির মাধ্যমে প্রভাবিত করার চেষ্টা করলে জনগণই তা প্রতিহত করবে: আল আমিন মনির কাসেমী নির্বাচিত হলে মাদক, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে:রিয়াদ ঐক্যবদ্ধভাবে আবুল কালামের পক্ষে মাঠে থাকার আহবান মাসুদুজ্জামানের  জনগণের ভালোবাসাটাই আমাদের কাছে প্রধান: আবুল কালাম এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে জনগণ হরিণ মার্কায় ভোট দেবে: শাহ আলম সিদ্ধিরগঞ্জে ডাকাতির প্রস্তুতি কলে অস্ত্র ও মাদক সহ ৮ জন গ্রেপ্তার  বন্দরে গ্যাসের চুলায় আগুনে দগ্ধ বৃদ্ধার মৃত্যু  শিক্ষা হচ্ছে মানুষের জ্ঞান অর্জনের জন্য, আর জ্ঞান হলো সেই বিষয় যা আমরা জানি না: গিয়াসউদ্দিন

সাবেক সেনাপ্রধান কেএম সফিউল্লাহ’র দাফন সম্পুর্ণ 

নিউজ ২৪ নারায়ণগঞ্জঃ 

সাবেক সেনাপ্রধান ও মুক্তিযুদ্ধের ৩ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব.) কেএম সফিউল্লাহ (বীর উত্তম)-এর মরদেহ জানাজা নামাজ শেষে বনানীস্থ সেনাবাহিনী কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

রোববার (২৬ জানুয়ারি) বাদ জোহর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কাজী আব্দুল হামিদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বনানীস্থ সেনাবাহিনী কবরস্থানে তাঁকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

জানাজায় অংশ নেন রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু, রূপগঞ্জ থানার ওসি লিয়াকত আলী, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুন, সাধারণ সম্পাদক বাছির উদ্দিন বাচ্চু, এবং পরিবারের সদস্যরা।

মেজর জেনারেল কেএম সফিউল্লাহ দীর্ঘদিন ধরেই নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। গত ২ জানুয়ারি তাঁকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রোববার সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।

১৯৩৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের দক্ষিণ নবগ্রামে জন্মগ্রহণকারী কেএম সফিউল্লাহ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ৩ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে তাঁর সাহসী ভূমিকার জন্য তিনি “বীর উত্তম” খেতাবে ভূষিত হন।

স্বাধীনতার পর ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের প্রথম সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৬ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত তিনি মালয়েশিয়া, কানাডা, সুইডেন ও ইংল্যান্ডে রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন মেয়ে, এক ছেলে এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

খবরটি সবার সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর...।