রবিবার, ৮ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ,
শিরোনামঃ
নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা বিআরটিসি এসি বাস সার্ভিসের উদ্বোধন  এমপি কালামে’র রাজনৈতিক সচিব হলেন পুত্র আশা আই.ই.টি, সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ব্যাচ ৯৮’র ইফতার মাহফিল সিদ্ধিরগঞ্জে নাসিক ১০ নং ওয়ার্ডে সম্ভাব্য কাউন্সিলর পদপ্রার্থী আরিফ মীর  নারায়ণগঞ্জের যে পরিবর্তন হওয়া দরকার সেই পরিবর্তনগুলো হয়নি: প্রতিমন্ত্রী সাকি ব্রিটিশ আমল থেকে এই শহরকে প্রাচ্যের ড্যান্ডি বলা হতো কিন্তু নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত: এমপি কালাম সিদ্ধিরগঞ্জে মসজিদের সামনে নির্মাণসামগ্রীর স্তুপ, মুসল্লিদের চলাছলে ভোগান্তি  রাজধানীর পাশেই নারায়গঞ্জ হচ্ছে সবচেয়ে অবহেলিত একটি জেলা: প্রশাসক সাখাওয়াত আমরা প্রত্যাশা করি ঐক্যবদ্ধভাবে  একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়বো: এমপি আল-আমিন  এতিম শিশুদের নিয়ে রোটারি ক্লাব অফ নারায়ণগঞ্জ রিভার সিটির ইফতার ও দোয়া মাহফিল

সাবেক সেনাপ্রধান কেএম সফিউল্লাহ’র দাফন সম্পুর্ণ 

নিউজ ২৪ নারায়ণগঞ্জঃ 

সাবেক সেনাপ্রধান ও মুক্তিযুদ্ধের ৩ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব.) কেএম সফিউল্লাহ (বীর উত্তম)-এর মরদেহ জানাজা নামাজ শেষে বনানীস্থ সেনাবাহিনী কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

রোববার (২৬ জানুয়ারি) বাদ জোহর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কাজী আব্দুল হামিদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বনানীস্থ সেনাবাহিনী কবরস্থানে তাঁকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

জানাজায় অংশ নেন রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু, রূপগঞ্জ থানার ওসি লিয়াকত আলী, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুন, সাধারণ সম্পাদক বাছির উদ্দিন বাচ্চু, এবং পরিবারের সদস্যরা।

মেজর জেনারেল কেএম সফিউল্লাহ দীর্ঘদিন ধরেই নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। গত ২ জানুয়ারি তাঁকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রোববার সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।

১৯৩৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের দক্ষিণ নবগ্রামে জন্মগ্রহণকারী কেএম সফিউল্লাহ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ৩ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে তাঁর সাহসী ভূমিকার জন্য তিনি “বীর উত্তম” খেতাবে ভূষিত হন।

স্বাধীনতার পর ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের প্রথম সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৬ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত তিনি মালয়েশিয়া, কানাডা, সুইডেন ও ইংল্যান্ডে রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন মেয়ে, এক ছেলে এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

খবরটি সবার সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর...।