মঙ্গলবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ,
শিরোনামঃ
আলোচিত কণ্ঠশিল্পী নোবেল’কে সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার  বাজারে তদারকিমূলক অভিযানে বাধা প্রদান ও মার্কেট বন্ধের হুমকি,ডিসিকে ক্যাবের স্মারকলিপি  প্রশাসনের কাছে দাবি-সকলকে আইনের আওতায় এনে সাপ্লাই চেইন ঠিক রাখা হোক: দিপু ভুঁইয়া ত্যাগের মুল্যায়ন পেলেন এড. সাখাওয়াত, হলেন নাসিক প্রশাসক প্রশাসনকে এক সপ্তাহের মধ্যে চাঁদাবাজ, মাদককারবারী ও ভূমিদস্যুদের আইনের আওতায় আনার নির্দেশ এমপি মান্নানের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে হেরোইন-ইয়াবাসহ ১৭ জন গ্রেপ্তার  ফেইসবুকে এক স্ট্যাটাসে ভাষা নিয়ে নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন রাজীব বন্দরে বিএনপির ৬ নেতাকর্মী বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগে মামলা বন্দরে বিকাশ এজেন্ট কর্মীকে ফাঁকা গুলি ও পিস্তল ঠেকিয়ে টাকা ছিনতাই নবনির্বাচিত সড়ক পরিবহণ ও সেতু প্রতিমন্ত্রী’কে জেএসএস’র ফুলেল শুভেচ্ছা

সাবেক সেনাপ্রধান কেএম সফিউল্লাহ’র দাফন সম্পুর্ণ 

নিউজ ২৪ নারায়ণগঞ্জঃ 

সাবেক সেনাপ্রধান ও মুক্তিযুদ্ধের ৩ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব.) কেএম সফিউল্লাহ (বীর উত্তম)-এর মরদেহ জানাজা নামাজ শেষে বনানীস্থ সেনাবাহিনী কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

রোববার (২৬ জানুয়ারি) বাদ জোহর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কাজী আব্দুল হামিদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বনানীস্থ সেনাবাহিনী কবরস্থানে তাঁকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

জানাজায় অংশ নেন রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু, রূপগঞ্জ থানার ওসি লিয়াকত আলী, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুন, সাধারণ সম্পাদক বাছির উদ্দিন বাচ্চু, এবং পরিবারের সদস্যরা।

মেজর জেনারেল কেএম সফিউল্লাহ দীর্ঘদিন ধরেই নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। গত ২ জানুয়ারি তাঁকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রোববার সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।

১৯৩৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের দক্ষিণ নবগ্রামে জন্মগ্রহণকারী কেএম সফিউল্লাহ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ৩ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে তাঁর সাহসী ভূমিকার জন্য তিনি “বীর উত্তম” খেতাবে ভূষিত হন।

স্বাধীনতার পর ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের প্রথম সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৬ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত তিনি মালয়েশিয়া, কানাডা, সুইডেন ও ইংল্যান্ডে রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন মেয়ে, এক ছেলে এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

খবরটি সবার সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর...।