রবিবার, ৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৫শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ,
শিরোনামঃ
নাসিক ৮ নং ওয়ার্ডে সাবেক ছাত্রদল নেতা খোকনের নেতৃত্বে ধানের শীষে ভোট চেয়ে গণসংযোগ স্বতন্ত্র প্রার্থী গিয়াসউদ্দিনের প্রচারে না যাওয়ায় মা-মেয়েকে লাঞ্ছিতের অভিযোগ পার্লারের টয়লেট থেকে নিখোঁজের ৯ দিনপর এক নারী উদ্যোক্তার মরদেহ উদ্ধার আড়াইহাজারে সড়ক দখল করে বিএনপি প্রার্থী আজাদের নির্বাচনী মঞ্জ, উচ্ছেদ ও জরিমানা আমরা প্রতিশ্রুতিতে নয়, কাজে বিশ্বাস করি: কালাম বন্দর থানার ওসি একটি বিশেষ প্রার্থীর পক্ষে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন: তারিকুল জনপ্রতিনিধি মানে জনগণের চাকর, জনগণের ওপর বসে থাকা কোনো প্রভু নয়:অঞ্জন দাস কিছু কিছু প্রার্থী শুনতাছি কোটি কোটি টাকা খরচ করছে: নান্নু মুন্সি মান্নান সাহেব কিছুদিন আগে দস্তখত করা শিখেছে, তাকে মনোনয়ন দিয়েছে: গিয়াসউদ্দিন সিদ্ধিরগঞ্জে নাসিক ৮ নং ওয়ার্ডে ধানের শীষের গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ

ফতুল্লায় তৃপক্ষীয় সংঘর্ষ, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, এলাকা রনক্ষেত্রে পরিনত

নিউজ ২৪ নারায়ণগঞ্জ: 

ফতুল্লায় মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় আহত হয়েছে প্রায় অর্ধশতাধীক জন। আহতদের স্থানীয় ক্লিনিকসহ খানপুরের ৩০০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়।

বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফতুল্লা রেললাইন বটতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় বটতলা থেকে কাঠেরপুল এলাকা পর্যন্ত রনক্ষেত্রে পরিণত হয়। তবে, স্থানীয় অনেকে বলছেন তৃপক্ষীয় সংর্ঘষে রূপ নেয় এটি।

স্থানীয়রা জানায়, ফতুল্লায় মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজীর বিরুদ্ধে একটি বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়। দুপুর ২ টায় মিছিলের শুরুর আগে রেল লাইন বটতলায় ছোট ছোট মিছিল নিয়ে জমায়েত হতে থাকে লোকজন। তিনটার দিকে মিছিলটি রেল লাইন বটতলা হয়ে কোতালের বাগ কবরস্থান পাড় হওয়ার সময় অপর একটি পক্ষ মিছিলে হামলা করে।
হামলার জন্য একটি পক্ষ আলাউদ্দিন হাজীর দুই ছেলে আক্তার, সুমন ও মেয়ের জামাতা মাসুদদের দোষারপ করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে স্থানীয় কয়েকজন জানান, হামলার কারনে বিক্ষোভ মিছিল ছত্র ভঙ্গ হয়ে যায়। কিন্তু হামলার শিকার হয়ে পুনরায় তারা একত্রিত হয়ে হামলাকারীদের ধাওয়া দেয়। ওই সময় কয়েকটি গ্রুপে ভাগ হয়ে দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলতে থাকে। এতে বেশ কিছু যানবাহন, বাড়ি ঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাংচুর ও হামলা হয়।

এ বিষয়ে ফতুল্লা থানার অফিসার ইনিচার্জ (ওসি) সোলায়মান মাহাবুব বলেন, তথ্য পাওয়ার সাথে সাথে আমরা ফোর্স নিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনি। আমাদের দেখে তারা পালিয়ে যায়। এলাকাবাসী মাদক সন্ত্রাস বিরোধী এক মিছিল করছিলো সেখানে অপর একটি পক্ষ এসে হামলা করে। এরপরই সংঘর্ষ শুরু হয়েছিল।

নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক (উপ-পরিচালক,স্বাস্থ্য) ডা. মো. আবুল বাসার বলেন, সন্ধ্যা পর্যন্ত ২০ জনের উপরে আহতরা চিকিৎসা নিতে এসেছে।

খবরটি সবার সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর...।