, , ,
শিরোনামঃ
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নারায়ণগঞ্জবাসীকে না:গঞ্জ সদর থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হকের শুভেচ্ছা বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, জিয়াউর রহমানের হাত ধরে যাত্রা, খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিস্তার, তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন অধ্যায়  আইনশৃঙ্খলা, নাগরিক সেবা ও উন্নয়নে সর্বোচ্চ সক্ষমতা কাজে লাগানোর নির্দেশ হাবীবুর রশীদের সিদ্ধিরগঞ্জে সজীব হত্যা মামলার প্রধান দুই আসামি গ্রেফতার, হত্যায় ব্যবহৃত ৩ ছুরি উদ্ধার সিদ্ধিরগঞ্জে ৬নং ওয়ার্ডে ড্রেন সংস্কার কাজের উদ্বোধন করলেন প্রশাসক অ্যাড.সাখাওয়াত হোসেন বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নারায়ণগঞ্জবাসীকে রিপন সরকারের শুভেচ্ছা বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফল হোক—মো: মাসুম প্রধান বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নারায়ণগঞ্জবাসীকে আবুল বাসার বাদশার শুভেচ্ছা সোনারগাঁয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত দুই ঔষধ ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে নারায়ণগঞ্জের শিল্পকারখানা: দ্রুত সমাধান ও সংযোগ বিচ্ছিন্ন না করার দাবিতে তিতাসকে নীট ডায়িং মালিকদের স্মারকলিপি 

প্রায়সময় আমরা শুনি ১০০ টাকার খাজনা দিতে গিয়ে ১ হাজার টাকা দিতে হচ্ছে: ভূমি উপদেষ্টা

নিউজ ২৪ নারায়ণগঞ্জঃ

বন্দর প্রতিনিধি : ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভূমি জরিপ কার্যক্রমের ফলে ভূমির মালিকানা সংক্রান্ত জটিলতা, ভূমি নিয়ে বিরোধ, মারামারি, মামলা মোকদ্দমা একেবারেই কমে আসবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ।

শনিবার ( ২ নভেম্বর) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার নবীগঞ্জ ফেরীঘাট এলাকায় ভূমি মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত ‘ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভূমি জরিপ কার্যক্রম’ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, গ্রামে যখন পূর্বে সার্ভে করা হতো তখন মাপজোক ঠিক হওয়া নিয়ে কিংবা জমির পরিমাপ ঠিক থাকবে কিনা তা নিয়ে ভয় কাজ করতো। এই বিপত্তিগুলো সৃষ্টি হতো বলে গ্রামগঞ্জে অস্থিরতা তৈরি হতো। পাশাপাশি মারামারি, মামলা-মোকদ্দমা হতো। এর ফলে সমাজে বড় একটি অংশের মানুষ ভূমি জরিপ নিয়ে ধারণা না থাকার কারণে দিনের পর দিন ভোগান্তির মধ্যে পড়তো। এ থেকে পরিত্রাণ পেতে আমরা ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভূমি জরিপ কার্যক্রম শুরু করেছি। প্রযুক্তির মাধ্যমে জমি সার্ভে করার কারণে খুঁটিনাটি থেকে শুরু করে মিলিমিটার পর্যন্ত নিভুর্ল মাপজোক পাওয়া সম্ভব হবে। এর ফলে জমি নিয়ে সমাজ থেকে অস্থিরতা দূর হবে। পূর্বে জমির খতিয়ান পেতে অনেক সময় লাগতো। পাশাপাশি তা পেতে অনেক অস্বচ্ছতার মধ্যে পড়তে হতো। তা চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে। এখন আমরা বাসায় বসে অনলাইনের মাধ্যমে জমির খতিয়ান পেয়ে যাবো। পাশাপাশি জমির খাজনা দেওয়াটাও সহজ হয়ে যাবে। প্রায়সময় আমরা শুনি ১০০ টাকার খাজনা দিতে গিয়ে ১ হাজার টাকা দিতে হচ্ছে। তাছাড়া আমরা কল সেন্টার চালু করেছি। এর ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে একজন মানুষ যেকোনো অভিযোগ করার সুযোগ পাচ্ছে এবং অভিযোগ পাওয়া মাত্রই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। সারাদেশে এই কার্যক্রম শুরু করতে আমাদের সর্বমোট ৩৮৩ কোটি টাকা খরচ হচ্ছে এবং ২০২৬ সালের অক্টোবর মাসে এর কার্যক্রম শেষ হবে।
ওই সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এএসএম সালেহ আহমেদ, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) মো. মনিরুজ্জামান, অতিরিক্ত সচিব ও ইডিএলএমএস প্রকল্প পরিচালক জিয়াউদ্দিন আহমেদ, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ মাহমুদুল হক, নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার (এসপি) প্রত্যুষ কুমার মজুমদার প্রমুখ। ###

খবরটি সবার সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর...।