সোমবার, ১লা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ,
শিরোনামঃ
পাঠানটুলিতে গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ বিএনপি নেতার ছেলে পাঁচদিন পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু  সোনারগাঁয়ে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার ; পরিবারের দাবি পরিকল্পিত হত্যা সিদ্ধিরগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী হত্যা মামলায় আওয়ামীলীগ নেতা গ্রেপ্তার  জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে মহানগর যুবদলের দোয়া ও তোবারক বিতরণ শহীদ জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে জাকির খাঁনের উদ্যােগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল  জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির দোয়া জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকীতে বিএনপি নেতা মো: মিয়া চাঁনের উদ্যােগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল ডিসির তদারকিতে নারায়ণগঞ্জে শ্রমিকদের শান্তিপূর্ণ ঈদ উদযাপন সহ শিল্পাঞ্চলে বিরাজ করছে স্বস্তি ডেঙ্গু ও জলাবদ্ধতা রোধে নারায়ণগঞ্জে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ডিসি মো:রায়হান কবির নারায়ণগঞ্জের সর্বস্তরের জনগণকে ঈদুল আজহার  শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মশিউর রহমান রনি

প্রায়সময় আমরা শুনি ১০০ টাকার খাজনা দিতে গিয়ে ১ হাজার টাকা দিতে হচ্ছে: ভূমি উপদেষ্টা

নিউজ ২৪ নারায়ণগঞ্জঃ

বন্দর প্রতিনিধি : ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভূমি জরিপ কার্যক্রমের ফলে ভূমির মালিকানা সংক্রান্ত জটিলতা, ভূমি নিয়ে বিরোধ, মারামারি, মামলা মোকদ্দমা একেবারেই কমে আসবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ।

শনিবার ( ২ নভেম্বর) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার নবীগঞ্জ ফেরীঘাট এলাকায় ভূমি মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত ‘ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভূমি জরিপ কার্যক্রম’ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, গ্রামে যখন পূর্বে সার্ভে করা হতো তখন মাপজোক ঠিক হওয়া নিয়ে কিংবা জমির পরিমাপ ঠিক থাকবে কিনা তা নিয়ে ভয় কাজ করতো। এই বিপত্তিগুলো সৃষ্টি হতো বলে গ্রামগঞ্জে অস্থিরতা তৈরি হতো। পাশাপাশি মারামারি, মামলা-মোকদ্দমা হতো। এর ফলে সমাজে বড় একটি অংশের মানুষ ভূমি জরিপ নিয়ে ধারণা না থাকার কারণে দিনের পর দিন ভোগান্তির মধ্যে পড়তো। এ থেকে পরিত্রাণ পেতে আমরা ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভূমি জরিপ কার্যক্রম শুরু করেছি। প্রযুক্তির মাধ্যমে জমি সার্ভে করার কারণে খুঁটিনাটি থেকে শুরু করে মিলিমিটার পর্যন্ত নিভুর্ল মাপজোক পাওয়া সম্ভব হবে। এর ফলে জমি নিয়ে সমাজ থেকে অস্থিরতা দূর হবে। পূর্বে জমির খতিয়ান পেতে অনেক সময় লাগতো। পাশাপাশি তা পেতে অনেক অস্বচ্ছতার মধ্যে পড়তে হতো। তা চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে। এখন আমরা বাসায় বসে অনলাইনের মাধ্যমে জমির খতিয়ান পেয়ে যাবো। পাশাপাশি জমির খাজনা দেওয়াটাও সহজ হয়ে যাবে। প্রায়সময় আমরা শুনি ১০০ টাকার খাজনা দিতে গিয়ে ১ হাজার টাকা দিতে হচ্ছে। তাছাড়া আমরা কল সেন্টার চালু করেছি। এর ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে একজন মানুষ যেকোনো অভিযোগ করার সুযোগ পাচ্ছে এবং অভিযোগ পাওয়া মাত্রই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। সারাদেশে এই কার্যক্রম শুরু করতে আমাদের সর্বমোট ৩৮৩ কোটি টাকা খরচ হচ্ছে এবং ২০২৬ সালের অক্টোবর মাসে এর কার্যক্রম শেষ হবে।
ওই সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এএসএম সালেহ আহমেদ, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) মো. মনিরুজ্জামান, অতিরিক্ত সচিব ও ইডিএলএমএস প্রকল্প পরিচালক জিয়াউদ্দিন আহমেদ, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ মাহমুদুল হক, নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার (এসপি) প্রত্যুষ কুমার মজুমদার প্রমুখ। ###

খবরটি সবার সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর...।