বৃহস্পতিবার, ১২ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ,
শিরোনামঃ
সিদ্ধিরগঞ্জে বালুর ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত আমার নারায়ণগঞ্জ’-এর ইফতার মাহফিলে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ নারায়ণগঞ্জের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: মাসুদুজ্জামান মাসুদুজ্জামান মাসুদ ভাই সবসময় নারায়ণগঞ্জবাসীর স্বার্থে কাজ করেছেন: রাজিব আমার নারায়ণগঞ্জ’ সংগঠনটি অনেকদিন ধরে কাজ করছে,একটি সুন্দর নারায়ণগঞ্জ গড়ার লক্ষ্যে: এমপি আল-আমিন  নারায়ণগঞ্জে গণঅধিকার পরিষদের ইফতার মাহফিলে প্রতিমন্ত্রী ভিপি নুর ফতুল্লায় আমিন স্কয়ার নামে এক নামে কারখানাকে লাখ টাকা জরিমানা  আড়াইহাজারে পরিত্যক্ত ব্যাগ থেকে পাইপগান, গুলি ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার সিদ্ধিরগঞ্জে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার হযরত ওয়ায়েজ করুনী(রাঃ) ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে অসহায়দের মাঝে ইফতার ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ

প্রায়সময় আমরা শুনি ১০০ টাকার খাজনা দিতে গিয়ে ১ হাজার টাকা দিতে হচ্ছে: ভূমি উপদেষ্টা

নিউজ ২৪ নারায়ণগঞ্জঃ

বন্দর প্রতিনিধি : ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভূমি জরিপ কার্যক্রমের ফলে ভূমির মালিকানা সংক্রান্ত জটিলতা, ভূমি নিয়ে বিরোধ, মারামারি, মামলা মোকদ্দমা একেবারেই কমে আসবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ।

শনিবার ( ২ নভেম্বর) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার নবীগঞ্জ ফেরীঘাট এলাকায় ভূমি মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত ‘ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভূমি জরিপ কার্যক্রম’ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, গ্রামে যখন পূর্বে সার্ভে করা হতো তখন মাপজোক ঠিক হওয়া নিয়ে কিংবা জমির পরিমাপ ঠিক থাকবে কিনা তা নিয়ে ভয় কাজ করতো। এই বিপত্তিগুলো সৃষ্টি হতো বলে গ্রামগঞ্জে অস্থিরতা তৈরি হতো। পাশাপাশি মারামারি, মামলা-মোকদ্দমা হতো। এর ফলে সমাজে বড় একটি অংশের মানুষ ভূমি জরিপ নিয়ে ধারণা না থাকার কারণে দিনের পর দিন ভোগান্তির মধ্যে পড়তো। এ থেকে পরিত্রাণ পেতে আমরা ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভূমি জরিপ কার্যক্রম শুরু করেছি। প্রযুক্তির মাধ্যমে জমি সার্ভে করার কারণে খুঁটিনাটি থেকে শুরু করে মিলিমিটার পর্যন্ত নিভুর্ল মাপজোক পাওয়া সম্ভব হবে। এর ফলে জমি নিয়ে সমাজ থেকে অস্থিরতা দূর হবে। পূর্বে জমির খতিয়ান পেতে অনেক সময় লাগতো। পাশাপাশি তা পেতে অনেক অস্বচ্ছতার মধ্যে পড়তে হতো। তা চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে। এখন আমরা বাসায় বসে অনলাইনের মাধ্যমে জমির খতিয়ান পেয়ে যাবো। পাশাপাশি জমির খাজনা দেওয়াটাও সহজ হয়ে যাবে। প্রায়সময় আমরা শুনি ১০০ টাকার খাজনা দিতে গিয়ে ১ হাজার টাকা দিতে হচ্ছে। তাছাড়া আমরা কল সেন্টার চালু করেছি। এর ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে একজন মানুষ যেকোনো অভিযোগ করার সুযোগ পাচ্ছে এবং অভিযোগ পাওয়া মাত্রই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। সারাদেশে এই কার্যক্রম শুরু করতে আমাদের সর্বমোট ৩৮৩ কোটি টাকা খরচ হচ্ছে এবং ২০২৬ সালের অক্টোবর মাসে এর কার্যক্রম শেষ হবে।
ওই সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এএসএম সালেহ আহমেদ, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) মো. মনিরুজ্জামান, অতিরিক্ত সচিব ও ইডিএলএমএস প্রকল্প পরিচালক জিয়াউদ্দিন আহমেদ, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ মাহমুদুল হক, নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার (এসপি) প্রত্যুষ কুমার মজুমদার প্রমুখ। ###

খবরটি সবার সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর...।