, , ,
শিরোনামঃ
আড়াইহাজারের বিভিন্ন সরকারি দপ্তর পরিদর্শনে ডিসি রায়হান কবির আড়াইহাজারে ইভটিজিং, ডাকাতি ও মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স:ডিসি রায়হান কবির জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ কাব স্কাউট এর গৌরব অর্জন করায় অবন্তিকা দত্তকে সদর ইউএনও’র অভিনন্দন বিশ্ব আশেকে রাসুল হযরত ওয়ায়েস করনী (রা:) ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পবিত্র মহরম উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন প্রেস ব্রিফিং এ “মেধাবী জাতি গঠনে শিশু পুষ্টি নিশ্চিত অত্যন্ত জরুরি: :ডিসি রায়হান কবির এইচএসি-২০২৬ পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে চাপ নয়, আত্মবিশ্বাস নিয়ে পরীক্ষা দাও: ডিসি রায়হান কবির মহানগর যুবদলের প্রতিবাদ মিছিলে আবুল বাসার বাদশা ও অনি’র নেতৃত্বে বিশাল মিছিল নিয়ে যোগদান চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে চোখে-মুখে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে অস্ত্র ; চক্রের চার সদস্য গ্রেপ্তার  ডিশ ব্যবসায়ী নাসির হত্যা বিচারের দাবিতে স্বজন ও এলাকাবাসীর রাস্তা অবরোধ ও বিক্ষোভ  আওয়ামীলীগের অপপ্রচার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সজল-সাহেদের নেতৃত্বে বিশাল মিছিল 

গাইবান্ধা জেলার হত্যা মামলার আসামী রূপগঞ্জে গ্রেফতার 

নিউজ ২৪ নারায়ণগঞ্জ:

গাইবান্ধা জেলার হত্যা মামলার আসামী সাজ্জাদ মিয়া (৩৫)কে রূপগঞ্জের ডহরগাঁও এলাকা থেকে আটক করে র‌্যাব-১১। বুধবার (২৬ জুন) র‌্যাব-১১ এর মিডিয়া অফিসার এএসপি সনদ বড়ুয়ার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য জানানো হয়।

আটককৃত সাজ্জাদ মিয়া হলেন, গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানার বুজরুক বিষ্ণুপুর এলাকার শামছুল মিয়া ছেলে।

বিজ্ঞপ্তিতে র‌্যাব জানায়, গাইবান্ধার হত্যাকান্ডে জড়িত আসামীকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র‍্যাব ১১ সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালায়। অভিযানে ২৫ জুন হত্যা মামলার আসামী সাজ্জাদ মিয়া (৩৫)কে আটক করা হয়।

র‌্যাব আরও জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায় সাজ্জাত মিয়া গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী থানার এজাহারনামীয় আসামী। মামলার বাদী ও আসামীরা পাড়া প্রতিবেশী হওয়ায় দীর্ঘদিন যাবত তাদের মধ্যে জায়গা জমি সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধিতা চলে আসছে। এর প্রেক্ষিতে গত ১৮ জুন বাদীর ছেলে লিটন মিয়া নিজ বাড়ি হতে বোর্ড বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় বিষ্ণুপুর নাম স্থানে গ্রেফতারকৃত আসামীসহ আরও ৩০/৩৫ জন আসামীরা সবাই দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে দলবদ্ধ হয়ে বাদীর ছেলেকে এলোপাথাড়ি মারপিট ও রক্তাক্ত জখম করে। ডাকচিৎকার শুনে বাদীর আত্মীয় স্বজন ৭/৮ জন এগিয়ে গেলে আসামীরা বাদী পক্ষের সবাইকে গুরুতর আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে এবং ঘটনাস্থল হতে হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যায়। আঘাতপ্রাপ্তদের মধ্যে রুবেল মিয়া নামক একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে তৎক্ষণাৎ গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। রুবেল মিয়ার মাথায় ১২০ টি সেলাই লাগে। পরবর্তীতে ভিকটিম রুবেল মিয়ার শারীরিক অবস্থা আরো খারাপের দিকে গেলে তাকে ঢাকা মেট্রোপলিন মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালে রেফার করা হয় এবং ঐখানে দুইদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুবেল মিয়া মৃত্যুবরণ করেন। ঘটনার পর পরই মোছা রেবা বেগম বাদী হয়ে গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী থানাতে একটি গুরুতর আঘাত ও হত্যার চেষ্টা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে মামলা হওয়ার দুইদিন পর যখন ভিকটিম রুবেল মিয়া মৃত্যুবরণ করেন তখন বাদীর আবেদনক্রমে হত্যার চেষ্টা মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।

খবরটি সবার সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর...।