, , ,
শিরোনামঃ
বন্দর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যােগে শিক্ষার্থীদের মাঝে স্যানিটারি সুরক্ষা উপকরণ বিতরণ সোনারগাঁ জামপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান গ্রেপ্তার  নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সদস্যদের সঙ্গে এনডিএ চেয়ারম্যান রাজিব এর সৌজন্য সাক্ষাৎ  চাঁদাবাজির প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে সাইনবোর্ডে পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ ভূমি সেবায় হয়রানি ও দুর্নীতিমুক্ত সেবা নিশ্চিতে ডিসি রায়হান কবির এর আকস্মিক পরিদর্শন মানবিক ডিসি জাহিদুল ইসলাম মিঞা যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতি হওয়ায় নারায়ণগঞ্জবাসীর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন চট্টগ্রামে দুর্যোগ মোকাবিলার কারণে সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করলেন ডিসি জাহিদুল বন্দরে একটি অটোরিকশা ও সিএনজি গ্যারেজে ডাকাতির ঘটনায় দুইজন গ্রেপ্তার; ৭০টি ব্যাটারি উদ্ধার  নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা বন্দরে সাত বছরের শিশুকে বলাৎকার অভিযোগে কিশোর আটক

গাইবান্ধা জেলার হত্যা মামলার আসামী রূপগঞ্জে গ্রেফতার 

নিউজ ২৪ নারায়ণগঞ্জ:

গাইবান্ধা জেলার হত্যা মামলার আসামী সাজ্জাদ মিয়া (৩৫)কে রূপগঞ্জের ডহরগাঁও এলাকা থেকে আটক করে র‌্যাব-১১। বুধবার (২৬ জুন) র‌্যাব-১১ এর মিডিয়া অফিসার এএসপি সনদ বড়ুয়ার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য জানানো হয়।

আটককৃত সাজ্জাদ মিয়া হলেন, গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানার বুজরুক বিষ্ণুপুর এলাকার শামছুল মিয়া ছেলে।

বিজ্ঞপ্তিতে র‌্যাব জানায়, গাইবান্ধার হত্যাকান্ডে জড়িত আসামীকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র‍্যাব ১১ সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালায়। অভিযানে ২৫ জুন হত্যা মামলার আসামী সাজ্জাদ মিয়া (৩৫)কে আটক করা হয়।

র‌্যাব আরও জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায় সাজ্জাত মিয়া গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী থানার এজাহারনামীয় আসামী। মামলার বাদী ও আসামীরা পাড়া প্রতিবেশী হওয়ায় দীর্ঘদিন যাবত তাদের মধ্যে জায়গা জমি সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধিতা চলে আসছে। এর প্রেক্ষিতে গত ১৮ জুন বাদীর ছেলে লিটন মিয়া নিজ বাড়ি হতে বোর্ড বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় বিষ্ণুপুর নাম স্থানে গ্রেফতারকৃত আসামীসহ আরও ৩০/৩৫ জন আসামীরা সবাই দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে দলবদ্ধ হয়ে বাদীর ছেলেকে এলোপাথাড়ি মারপিট ও রক্তাক্ত জখম করে। ডাকচিৎকার শুনে বাদীর আত্মীয় স্বজন ৭/৮ জন এগিয়ে গেলে আসামীরা বাদী পক্ষের সবাইকে গুরুতর আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে এবং ঘটনাস্থল হতে হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যায়। আঘাতপ্রাপ্তদের মধ্যে রুবেল মিয়া নামক একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে তৎক্ষণাৎ গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। রুবেল মিয়ার মাথায় ১২০ টি সেলাই লাগে। পরবর্তীতে ভিকটিম রুবেল মিয়ার শারীরিক অবস্থা আরো খারাপের দিকে গেলে তাকে ঢাকা মেট্রোপলিন মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালে রেফার করা হয় এবং ঐখানে দুইদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুবেল মিয়া মৃত্যুবরণ করেন। ঘটনার পর পরই মোছা রেবা বেগম বাদী হয়ে গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী থানাতে একটি গুরুতর আঘাত ও হত্যার চেষ্টা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে মামলা হওয়ার দুইদিন পর যখন ভিকটিম রুবেল মিয়া মৃত্যুবরণ করেন তখন বাদীর আবেদনক্রমে হত্যার চেষ্টা মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।

খবরটি সবার সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর...।