নিউজ ২৪ নারায়ণগঞ্জঃ
সিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ও নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের পিএস সেলিম হোসেনকে জড়িয়ে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের আহবায়ক সদস্য আবুল বাশার বাদশা খাঁনের বিরুদ্ধে মিথ্যা ভিত্তিহীন অপপ্রচারে লিপ্ত ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সুবিধাবাদী বিতর্কিত কুচক্রীমহল।
জানা গেছে, বিগত ফ্যাসিষ্ট আমলে দীর্ঘ ১৭ বছর ফ্যাসিষ্ট বিরোধী ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে রাথপথে থেকে হামলা মামলা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনেও গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখেছেন যুবদল নেতা বাদশা খাঁন।
৫ই আগষ্ট পরবর্তী সময়ে চাঁদাবাজি, টেন্ডারববাজী, জবরদখল বা কোনো সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িত নাহয়ে দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করেছেন। এরপর জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয়তাবাদী দলের মনোনীত প্রার্থী নারায়ণগঞ্জ-৩ (সিদ্ধিরগঞ্জ-সোনারগাঁ) আসনের আজহারুল ইসলাম মান্নানকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করতে সেই নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রচার প্রচারণা করে বিপুল ভোটে বিজয়ী করেন। সেই সুবাদে এমপি মান্নান ও তার পিএস সেলিম হোসেন দীপুর সাথে একটি সুসম্পর্ক তৈরি হয়। তবে নাসিক ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সুবিধাবাদী বিতর্কিত লোকেরা এই সুসম্পর্ক ও সিটি নির্বাচনে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হওয়ায় তা মেনে নিতে পারছেন না যার প্রমান বাদশা খাঁনের বিরুদ্ধে মিথ্যা ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালিয়ে এমপি ও ওয়ার্ডবাসীর কাছে হেয়প্রতিপন্ন করার লক্ষ্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়ছে।
ওয়ার্ডবাসী জানায়, আবুল বাশার বাদশা খাঁন একজন খুবই ভালো নম্র ভদ্র, সৎ বিনয়ী ও পরোপকারী ব্যক্তি, তিনি সব সময় মানুষের ও সমাজের কল্যানে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। মাদকের হাত থেকে এলাকার যুবসমাজকে রক্ষা করতে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করে এলাকার মুরুব্বিদের সাথে নিয়ে মাদকবিরোধী আভিযান চালিয়ে কয়েকজন মাদক কারবারিকে আইনের হাতে তুলে দিয়েছেন যার ফলে ওয়ার্ডবাসী বাদশা খাঁনকে অভিভাবক বানিয়ে মনে জায়গা দিয়েছেন এবং আগামী সিটি নির্বাচনে তাকেই কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত করবেন বলে আশাব্যক্ত করেন। আর এই কারণেই বাদশা খাঁনের জনপ্রিয়তা দেখে একটি কুচক্রীমহল বিভিন্ন ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখে মিথ্যা,ভিত্তিহীন, মানহানীকর, মনগড়া অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে । আমরা ৮ নং ওয়ার্ডবাসী বাদশা খাঁনের বিরুদ্ধে সকল ধরনের অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং এই অপপ্রচারকারীদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করার জোর দাবি জানাচ্ছি।
যুবদল নেতা বাদশা বলেন, বিগত সময়ে যেসব বিএনপি নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগের সাথে গোপন আঁতাত করে সহিসালামতে ছিল। সেসব সুবিধাবাদীরা এখন ত্যাগী নেতাকর্মী সেজে এলাকায় চাঁদাবাজি, ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত হয়েছে। তাদের কেউ কেউ আগামী সিটি নির্র্বাচনে ৮ নং ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্বাচন করার প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছে। আামিও কাউন্সিলর নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তাই সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের পিএস সেলিম হোসেনের সাথে আমার সুসম্পর্ক তাদের সহ্য হচ্ছেনা।
ফলে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে সেলিম হোসেনকেও বিতর্কিত করে আমার কাছ থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে। আমি মাদক ব্যবসাতো দূরের কথা কোন অন্যায়ের সাথে জড়িত নই। আসল অপকর্মকারীরাই আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে আমাকে সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবে হেয় করে সংসদ সদস্যের নেক নজর থেকে দূরে সরানোর ফন্দি ফিকির করছে।
স্থানীয় একাধিক বিএনপি নেতা জানান, গোদনাইলের এনায়েতনগর ও বৌবাজারসহ আশপাশ এলাকায় কারা মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রন, ঝুট ব্যবসা, মিল কারখানা নিয়ন্ত্রন ও চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্ম করছে তা এলাাকার লোকজনের অজনা নয়। তাদের অপকর্মের প্রতিবাদ করায় বাদশার বিরুদ্ধে উল্টো মিথ্যাচার করছে এসব সুবিধাবাদীরা। তাই তাদের এসব মিথ্যাচার কেউ আমলে নিচ্ছে না। পাশাপাশি দলের প্রকৃত ত্যাগী নেতাদেরকে সুবিধাবাদীদের ষড়যন্ত্র থেকে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানান।