নিউজ ২৪ নারায়ণগঞ্জঃ
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে ঈদুল আজহা উপলক্ষে ২২টি পশুর হাটের দরপত্র উন্মুক্ত করেছে প্রশাসক। এর আগে একটি দরপত্র যাচাই-বাছাইয়ের জন্য নাসিকের পক্ষ থেকে একটি কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটি জমা পড়া দরপত্রগুলো যাচাই-বাছাই শেষে সর্বোচ্চ দরদাতার নাম ঘোষণা করেন।
বুধবার (১৩ মে) বিকেল চারটায় নগর ভবনের সভা কক্ষে দরপত্র উন্মুক্ত করেন নাসিক প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান। পরে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের আওতাভুক্ত এলাকায় মোট ২২টি পশুর হাটের সর্বোচ্চ দরদাতার নাম ঘোষণা করা হয়।
হাটগুলো হলো: নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সানারপাড় লিপি গার্মেন্টস সংলগ্ন মৌলভী ফজলুর রহমানের খালি জায়গা, একই ওয়ার্ডের মৌচাক মাদানী নগর বালুর মাঠ, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের টাইগার ওয়্যার রি-রোলিং মিলের মাঠ, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বটতলা বাদশা মিয়ার মাঠ, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের এসও রোড টার্মিনাল সংলগ্ন সালাউদ্দিন সাহেবের খালি জায়গা, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নাভানা সিটির ১ নম্বর মাঠ, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের গোদনাইল ইব্রাহিম টেক্সটাইল মিলসের খালি মাঠ, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের জালকুড়ি দক্ষিণ পাড়া মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মান্নান সাহেব নতুন রোড সংলগ্ন খালি জায়গা, একই ওয়ার্ডের জালকুড়ি ওয়াপদা রোডের ডিএনডি খাল সংলগ্ন খালি জায়গা, একই ওয়ার্ডের জালকুড়ি উত্তরপাড়া রাসেল সাহেবের খালি জায়গা, ১০ নম্বর ওয়ার্ডের চিত্তরঞ্জন খেলার মাঠ, ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের ডিয়ারার মাঠ, ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের শীতলক্ষ্যা ব্রিজের নিচের খালি জায়গা, একই ওয়ার্ডের পাওয়ার হাউজ সংলগ্ন খালি জায়গা, ২০ নম্বর ওয়ার্ডের সোনাকান্দা মাঠের পশ্চিম পাশের খালি জায়গা, একই ওয়ার্ডের ফরাজীকান্দা উত্তরপাড়া বালুরমাঠ, ২২ নম্বর ওয়ার্ডের জহির কাজীর খালি জায়গা, ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের কদমরসুল ডিগ্রী কলেজের পশ্চিম পাশের সিটি কর্পোরেশনের মালিকানাধীন খালি জায়গা, ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের নবীগঞ্জের গুদারাঘাট সংলগ্ন খালি জায়গা, একই ওয়ার্ডের আলতাফ সাহেবের খালি জায়গা, ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর লক্ষ্মণখোলা খেয়াঘাট সংলগ্ন খালি জায়গা ও ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের মুরাদপুর গ্রামের আলহাজ্ব মোতালেব সাহেবের বালুর মাঠে ২২টি অস্থায়ী পশুর হাটের ইজারার দরপত্র বিক্রি করা হয়।
এসব হাটের ইজারাদার ঈদের আগে তিনদিন হাটে পশু তুলে তা বিক্রি করতে পারবেন।
তবে, হাটগুলোতে কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা বা নিয়মের ব্যত্যয় ঘটলে ইজারা বাতিল করা হবে বলেও জানান নাসিক প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান।
এদিকে সিটি করপোরেশনের আওতাভুক্ত এলাকায় পশু হাটে যদি কোন গোন্ডগোল হয়, তাহলে হাট উচ্ছেদ করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন নাসিক প্রশাসক সাখাওয়াত।