
নারায়ণগঞ্জের গার্মেন্টস শিল্পের সুরক্ষা, শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা এবং শিল্পাঞ্চলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (ঢাকা বিভাগ) নজরুল ইসলাম আজাদ।
সাম্প্রতিক সময়ে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন শিল্পকারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ, বিক্ষোভ ও ভাঙচুরের ঘটনায় শিল্পাঞ্চলের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে শিল্পকারখানায় স্বাভাবিক উৎপাদন ও স্থিতিশীল পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে তৎপরতা চালাচ্ছেন তিনি।
শিল্পসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গার্মেন্টস শিল্পের সঙ্গে জড়িত মালিক, শ্রমিক ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ও উদ্যোগ গ্রহণের পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীদেরও দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন এমপি নজরুল ইসলাম আজাদ। শ্রমিকদের যৌক্তিক দাবি-দাওয়া গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা এবং আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি।
একই সঙ্গে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবিকে পুঁজি করে কোনো স্বার্থান্বেষী মহল যাতে শিল্পাঞ্চলে বিশৃঙ্খলা, ভাঙচুর কিংবা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছেন। তাঁর নির্দেশনায় দলীয় নেতাকর্মীরা শিল্পাঞ্চলের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, শ্রমিকদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে কাজ করছেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, নারায়ণগঞ্জের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে তৈরি পোশাকশিল্পের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। এ শিল্পের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুক্ত রয়েছেন বিপুলসংখ্যক শ্রমজীবী মানুষ। ফলে শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হলে শুধু মালিকপক্ষ নয়, সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন সাধারণ শ্রমিকরা। পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্যেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তাই শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিল্পকারখানার নিরাপত্তা, বিনিয়োগের পরিবেশ এবং উৎপাদনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। এ ক্ষেত্রে মালিক-শ্রমিকের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, দায়িত্বশীল আচরণ এবং আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির বিকল্প নেই।
নারায়ণগঞ্জের গার্মেন্টস শিল্পকে সম্ভাব্য সংকট থেকে রক্ষা করে শ্রমিকবান্ধব ও উৎপাদনমুখী পরিবেশ নিশ্চিত করতে এমপি নজরুল ইসলাম আজাদের তৎপরতাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয় রাজনৈতিক ও শিল্পসংশ্লিষ্ট মহল। তাঁদের মতে, সম্মিলিত উদ্যোগ ও কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষার পাশাপাশি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এ শিল্প খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সম্ভব।